পাহাড়-দেয়াল ধস, বজ্রপাত এবং ঢলে ভেসে গিয়ে কক্সবাজারে আটজনের মৃত্যু হয়েছে। এদের মধ্যে চারজন মারা গেছে মাটি চাপা পড়ে।
মহেশখালীর কালারমারছড়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মীর কাশেম চৌধুরী সাংবাদিকদের জানান, সকাল ১১টার দিকে উত্তর ঝাপুয়া এলাকার সফি আলমের বাড়ির শৌচাগারের ওপর পাহাড়ের মাটি ধসে পড়ে। এতে মাটি চাপা পড়ে ঘটনাস্থলেই সফির স্ত্রী সখিনা আখতার মারা যান।
এছাড়া একই এলাকায় মাটির দেয়াল ধসে সাদ্দাম হোসেন ও রাখি মুন্নি নামে আরো দুজন নিহত হয়েছে।
ইউপি চেয়ারম্যান জানান, দুপুরে পান ক্ষেত থেকে কাজ সেরে বাড়ি ফেরার পথে ঢলে ভেসে যান জে এম ঘাট এলাকার তালেব আলীর ছেলে পানচাষি আবদুল মজিদ (৩৪)। বিকাল ৫টায় তার লাশ উদ্ধার করা হয়েছে।
সদর উপজেলার ঈদগাঁও ইউনিয়নের চেয়ারম্যান সোহেল জাহান চৌধুরী সাংবাদিকদের জানান, সকালে দরগাহ পাড়ায় ঘরের মাটির দেয়াল চাপা পড়ে মারা গেছেন গৃহবধূ মনোয়ারা বেগম (৫০)। তিনি এলাকার মোহাম্মদ ইসলামের স্ত্রী।
এদিকে কক্সবাজার শহরতলির খুরুস্কুল ইউনিয়নে বজ্রপাতে মনজুর আলম (৪০) নামে এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছেন সদর উপজেলার খুরুস্কুল ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মাস্টার আবদুর রহিম।
এছাড়া পেকুয়া থানার ওসি মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান জানান, বিকালে সাবজীবন পাড়ায় মুবিনুল হক (৩২) নামের যুবক বজ্রপাতে মারা যান। তিনি এলাকার মৃত মোহাম্মদ সব্বিরের ছেলে।
অন্যদিকে বিকালে চকরিয়া উপজেলার বদরখালী ইউনিয়নে ৩ নম্বর ওয়ার্ডের খালকাচা পাড়ায় বজ্রপাতে আলী আকবর (২৫) নামের আরেক যুবক মারা যান বলে সাংবাদিকদের জানান ইউপি সদস্য রফিক আহমদ।
আলী আকবর এলাকার সাবের আহমদের ছেলে।


