Tag: পাহাড়ী ঢল

বন্যায় সিলেটে পানিবন্দি লাখো মানুষ

উজানের পাহাড়ী ঢল ও বৃষ্টিতে সিলেটের চার উপজেলা এবং সুনামগঞ্জের তিন উপজেলার নিচু এলাকায় বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে।

সিলেটের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মিজানুর রহমান বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে জানান, জৈন্তাপুর, গোয়াইনঘাট, কোম্পানীগঞ্জ ও কানাইঘাট উপজেলায় প্রায় এক লাখ মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছে।

এসব এলাকার অধিকাংশ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। সিলেট- গোয়াইনঘাট সড়কে বন্ধ হয়ে গেছে যান চলাচল।

জেলা প্রশাসনের বন্যা নিয়ন্ত্রণ কক্ষ থেকে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে বলে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক জানান।

তিনি বলেন, গোয়াইনঘাট উপজেলায় ২০টন চাল বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। অন্য উপজেলাগুলোতেও বরাদ্দের প্রক্রিয়া চলছে। কয়েকটি স্কুল-কলেজে আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হয়েছে।

এছাড়া দুর্গত এলাকায় পনি বিশুদ্ধকরণ ট্যাবলেট, শুকনো চিড়া ও বিস্কুট বিতরণ করা হচ্ছে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে।
বিস্তারিত →

পাহাড়ী ঢলের পানিতে ফসল হারিয়ে কৃষকের কান্নায় ভারী হয়ে উঠছে বাতাস

সুত্র: পাহাড়ী ঢলের পানিতে ফসল হারিয়ে সিলেটের হাওড় অঞ্চলের কৃষকরা এখন শুধুই মাতম করছে। তাদের কান্নায় বাতাস ভারি হয়ে উঠছে। এ সংক্রান্ত খবর পাঠিয়েছেন আমাদের প্রতিনিধিরা: জৈন্তাপুর : সুনামগঞ্জ ও হবিগঞ্জে ধান কাটতে যাওয়া লোকজন খালি হাতে ফিরে আসছে। হাওর থেকে পুরুষ-মহিলারা পানির নিচ থেকে আধাপাকা ধান সংগ্রহ করছেন। আগাম বন্যায় উপজেলার ৩০টি নার্সারির প্রায় দুই লাখ চারা সম্পূর্ণ নষ্ট হয়ে গেছে। গোখাদ্য সঙ্কট দেখা দেয়েছে। বিভিন্ন মত্স্য খামারের মাছ ভেসে গেছে।সিলেটের জৈন্তাপুর উপজেলায় প্রবল বর্ষণ, শিলাবৃষ্টি ও ভারতীয় পাহাড়ি ঢলে নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়। সবক’টি নদনদীর পানি বিপদসীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হয়। উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে উপজেলার ৬টি ইউনিয়নে সরকারি হিসাব অনুযায়ী ৬ হাজার ৭৫০ একর জমির বোরো ধান এখনও পানির নিচে তলিয়ে আছে। তবে ইউপি চেয়ারম্যান ও স্থানীয় কৃষকদের মতে, ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ দ্বিগুণ হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। বিস্তারিত →