সূত্র: জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় সভাপতি শায়খুল হাদীস আল্লামা আবদুুল মোমিন বলেছেন, মহানবী (সা.) পৃথিবীতে আগমন করে মানুষকে মূর্তিপূজা, আগুনপূজা থেকে বিরত রেখে এক আল্লাহর ইবাদত করার দাওয়াত দিয়ে গেছেন। মূর্তি নির্মাণ ইসলাম ধর্মে সম্পূর্ণ হারাম। তাই কোনো মুসলমান এর পক্ষে অবস্থান নিতে পারে না।
শায়খুল হাদীস আল্লামা আবদুুল মোমিন গত মঙ্গলবার রাতে সিলেট সরকারি আলিয়া মাদরাসা মাঠে আন্তর্জাতিক কোরআন তিলাওয়াত সংস্থা (ইকরা)’র উদ্যোগে আয়োজিত কেরাত সম্মেলনে এসব কথা বলেন।
শায়খুল হাদীস সমবেত কয়েক হাজার মুসল্লির উদ্দেশে বলেন, জীবনের শেষ রক্তবিন্দু দিয়ে হলেও সিলেটবাসীকে ইসলামবিরোধী কর্মকাণ্ড রুখে দাঁড়াতে হবে। তিনি বলেন, পুণ্যভূমি সিলেটের মাটিতে ইসলামের বিজয় পতাকা উড্ডীন করেছিলেন শাহজালাল (রহ.)।
তার নামে প্রতিষ্ঠিত শাবিপ্রবিতে যারা মূর্তি নির্মাণের মাধ্যমে ইসলামের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছেন তাদের ভয়ঙ্কর এ পথ থেকে ফিরে আসতে হবে। ইকরার সভাপতি আলহাজ নাদির খান, দেওয়ান মাসুদ রাজা চৌধুরী ও মাওলানা আবদুুল মতিন নবীগঞ্জির সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সম্মেলনে বিভিন্ন অধিবেশনে পবিত্র কোরআনে পাক থেকে তিলাওয়াত করেন ইরাক, মিসর ও মালয়েশিয়াসহ বিভিন্ন দেশ থেকে আগত কারিরা।
কাল সিলেটে ইসলামী আন্দোলনের সমাবেশ : এদিকে মূর্তি স্থাপনের বিরুদ্ধে আগামীকাল বেলা ২টায় ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ সিলেট জেলা ও মহানগরের উদ্যোগে নগরীর কোর্ট পয়েন্টে এক সমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে। এতে প্রধান অতিথি থাকবেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রেসিডিয়াম সদস্য মাওলানা মুফতি সৈয়দ মো. ফয়জুল করীম।
সমাবেশ সফলে গতকাল সংগঠনের জেলা অফিস কার্যালয় মহানগর সভাপতি মুফতি ফখর উদ্দিনের সভাপতিত্বে এক জরুরি সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন ইসলামী আন্দোলনের কেন্দ্রীয় সদস্য অধ্যাপক ডা. মোয়াজ্জেম হোসেন খান।
সভায় বক্তারা বলেন, বিগত দিনে এক নাস্তিকের নামে শাবিতে একটি হলের নামকরণ বন্ধের জন্য যেভাবে সিলেটের ধর্মপ্রাণ মানুষ আন্দোলন করে সফল হয়েছিল তার চেয়ে শতগুণ বেশি এবং ভয়াবহ আন্দোলন করে এ পুণ্যভূমিতে মূর্তি স্থাপন বন্ধ করতে প্রথমে ভিসি বরাবর স্মারকলিপি, মিছিল-সমাবেশসহ প্রয়োজনে হরতালের মতো কঠোর কর্মসূচি দেয়া হবে।