Tag: ফিলিস্তিন

ফিলিস্তিনি ভূখণ্ড দখল করা থেকেই সংঘাতের সূত্রপাত

সূত্রঃফিলিস্তিনি ভূখণ্ড দখল করে ইহুদিদের দেয়া থেকেই সংঘাতের সূত্রপাত। মধ্যপ্রাচ্য বিশেষ করে সিরিয়ায় বর্তমান সংকট ও যুদ্ধপরিস্থিতি নিয়ে এ মন্তব্য করেছেন মালয়েশিয়ার সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বর্ষীয়ান রাজনীতিক মাহাথির বিন মোহাম্মদ। তিনি বলেছেন, সিরিয়ায় আইএসের বিরুদ্ধে পশ্চিমাদের বিমান হামলা জোরদারের সিদ্ধান্ত সংকটকে আরও ঘনীভূত করবে। সংকট সমাধানের জন্য খুঁজে বের করতে হবে তারা কেন ভয়াবহ কর্মকাণ্ড চালাচ্ছে। বোমা হামলায় শুধু আইএস নয়, নিরপরাধ মানুষও আক্রান্ত হবে। ধ্বংস হয়ে যাবে পুরো দেশ। আল-জাজিরাকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে এসব কথা বলেছেন মাহাথির। এখানে পুরো সাক্ষাৎকারটি তুলে ধরা হলো:
প্রশ্ন: গত মাসের প্যারিস নৃশংসতার পর পশ্চিমা দেশগুলো আইসিলের বিরুদ্ধে বিমান হামলা জোরদার করছে। এ সিদ্ধান্ত নিয়ে আপনি কী মনে করেন?
মাহাথির: এটা পরিস্থিতিকে আরও খারাপ করবে। কেননা নিরপরাধ আরবরা মারা যাবে। তাদের যেহেতু কোনো কিছু করার ক্ষমতা নেই, তাই তারা আইসিলের প্রতি সহানুভূতিশীল। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে আইসিল ভয়াবহ আরও কিছু নিয়ে হাজির হবে। অথবা অন্যান্য নানা গ্রুপ হয়তো তৈরি হবে। নিজেদের শত্রুদের হারাতে ব্যর্থ হওয়ার কারণে মরিয়া হয়ে তারা যা পারে তাই করবে। আর তারা যেটা করতে পারে সেগুলো আমরা সন্ত্রাসবাদ বলে ব্যাখ্যা করি। কিন্তু আমার কাছে আকাশ থেকে বোমা ফেলাও সন্ত্রাসবাদ। যারা বোমা পড়ার জন্য নিচে অপেক্ষা করছে, তারাও সন্ত্রস্ত।
প্রশ্ন: আপনি কী আরও ব্যাপক আকারের একটি যুদ্ধ নিয়ে উদ্বেগ পোষণ করেন?
মাহাথির: এটা ইতিমধ্যে ছড়িয়ে পড়ছে। আমি সব সময় বলি, ইসরাইলের জন্য যখন ফিলিস্তিনের ভূখণ্ড দখল করে ইহুদিদের দেয়া হয়েছিল, তখন থেকেই এসব কিছুর সূত্রপাত। এরপর ইহুদিরা বলতে গেলে পুরো ফিলিস্তিন দখল করে নিয়েছে। বসতি নির্মাণ করেছে। রাস্তাঘাট বানিয়েছে। মানুষের চলাফেরা নিয়ন্ত্রণ করছে। আরও অনেক কিছু। আরব দেশগুলো ওই ভূখণ্ড পুনরুদ্ধারের চেষ্টা করেছিল। কিন্তু তারা ব্যর্থ হয়, কেন না ইউরোপ ও আমেরিকা ইসরাইলকে সমর্থন করেছে। আর এরপর থেকে ইসরাইল সব ধরনের আন্তর্জাতিক অপরাধ করে যাচ্ছে। এটা অত্যন্ত অন্যায়।
ইউরোপীয় ও আমেরিকানদের যেটা করা উচিত তা হলো, নিরপেক্ষ হওয়া আর উভয় পক্ষের কথা শোনা। আমরা এটা বলতে পারি না যে একপক্ষ সব সময় ভুল। ইসরাইলিরা অবৈধভাবে অবরোধ আরোপ করেছে। সমুদ্রে জাহাজগুলো আটকে দিয়েছে। এসবকিছুর দিকে ভ্রূক্ষেপ করে না পশ্চিমা বিশ্ব। তারা শুধু সন্ত্রাসবাদ নিয়ে কথা বলে।
ইসরাইলের জবাব হলো, সন্ত্রাসীদের আরও ত্রাস সৃষ্টি করা। এটা তাদের পরিস্থিতি মোকাবিলা করার পদ্ধতি। আপনি একজন ইসরাইলি হত্যা করলে, আমরা আপনাদের ১০ জনকে হত্যা করবো। আপনি আমাদের ১০ জনকে হত্যা করলে আমরা আপনার ১০০ জনকে হত্যা করবো। আমরা আপনাদের শাস্তি দেবো। এটাই ইসরাইল করছে। পুরো বিশ্ব এটা জানে। আর বিশ্ব এটা সহ্য করে।
প্রশ্ন: কিন্তু নিশ্চিতভাবে আইসিলের উত্থান ইসরাইলের সৃষ্টির থেকেও আরও বেশি কিছু?
মাহাথির: হ্যাঁ বেশি কিছু। তবে এটা আরও খারাপ হতে যাচ্ছে। আমি মনে করি, প্রথাগত যুদ্ধ দিয়ে গেরিলা যুদ্ধ লড়াই করা যায় না। আকাশ থেকে লড়াই করা যায় না। মালয়েশিয়াতে আমাদের অভিজ্ঞতা আছে। আমাদের যখন গেরিলা ছিল, আমরা মানুষের হৃদয়, মন জয়ের চেষ্টা করেছিলাম তারা যেন গেরিলাদের সমর্থন না দেয়। এভাবে আমরা সফল হয়েছিলাম। আমরা আরবদের সমস্যার সমাধান করছি না এটা হলো, কোনো কিছু না করতে পারার ক্রোধ আর হতাশা।
প্রশ্ন: পশ্চিমা রাজনীতিবিদরা কী অতীতের ভুলের পুনরাবৃত্তি করছে?
মাহাথির: হ্যাঁ। আপনি এখানে আইসিলকে হত্যা করলে, অন্য কোথাও আইসিলের উত্থান হবে। আপনি যুদ্ধের বিস্তার করবেন। এমনকি মালয়েশিয়াতেও আইসিলের প্রতি সহানুভূতিশীল মানুষ আছে। এমন কট্টরপন্থিরা থাকবে যারা এতটা ক্রুদ্ধ যে তারা এসব কিছু করবে। এটা আমাদের সংস্কৃতিতে নেই। আর মালয়েশিয়ানদের সপরিবারে অনৈসলামিক এমন কিছুতে যোগ দিতে যেতে দেখে আমরা স্তম্ভিত। এটা ইসলামের শিক্ষাবিরোধী।
প্রশ্ন: অপেক্ষাকৃত ভালো নীতি কোনটা হবে?
মাহাথির: আপনি আমার মানুষকে হত্যা করলে আমি আপনার মানুষকে হত্যা করবো- প্রতিহিংসার এ নীতি কাজে আসবে না। খুঁজে বের করুন কেন এসব মানুষ এ ধরনের ভয়ঙ্কর কর্মকাণ্ড চালাচ্ছে। ত্রাস সৃষ্টির নতুন নতুন উপায় আবিষ্কার করা হচ্ছে, শেখা হচ্ছে। এখন তারা টেলিভিশন ক্যামেরার সামনে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড চালানোর পদ্ধতি খুঁজে বের করেছে। এটা তাদের নতুন অস্ত্র। এখন পুরো বিশ্ব আতঙ্কিত। মুসলিম দেশগুলো আতঙ্কগ্রস্ত। তারা শুধু সেনাদের খুন করে না, তারা যে কাউকে খুন করে; পুরো বিশ্বের সামনে নিরপরাধ মানুষ হত্যা করে।
প্রশ্ন: আর, ঘনীভূত হওয়া এ দ্বন্দ্বের মানবিক পরিণতি কী?
মাহাথির: আমি মনে করি সাহায্য করাটা প্রত্যেকের দায়িত্ব। আমরা যদি অনেক দেশের মধ্যে এসব শরণার্থীকে ভাগ করে দেই তাহলে তা কোনো এক দেশের জন্য অনেক বড় একটি বোঝা হয়ে দাঁড়াবে না। ৪০ লক্ষাধিক মানুষ পালিয়ে গেছে, যা কিনা সিরিয়ার জনসংখ্যার প্রায় অর্ধেক। প্রতিটি দেশকে সাহায্যের হাত বাড়ানো প্রয়োজন। এসব মানুষ এ দেশগুলোতে সারাজীবন থাকবে না। তারা নিজেদের দেশে ফিরতে চায়।
সব থেকে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো সিরিয়ার গৃহযুদ্ধের সমাধান করা। শুধু আকাশ থেকে বোমা ফেললে কিছু হবে না। সমস্যা ভূখণ্ডে, আকাশে নয়। এ প্রক্রিয়ায় আপনি শুধু আইসিলকে নয়, নিরপরাধ মানুষকে আঘাত করবেন। ধ্বংস করবেন পুরো দেশকে।

ফিলিস্তিনীদের সঙ্গে ইসরায়েলি সেনাদের সংঘর্ষ অব্যাহত

সূত্র: আবু সাইদ: হেব্রনে ইসরায়েলি সেনাদের সঙ্গে সংঘর্ষে ৩ ফিলিস্তিনী নিহত হওয়ার একদিন পর পশ্চিমতীরে রোববার আবারও দুপক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হয়েছে।

israil

রোববার বিকেলে পশ্চিম তীরের হেব্রনে স্থানীয় একটি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একটি মিছিল বের হয়ে তা ইহুদি বসতির দিকে অগ্রসর হলে ইসরায়েলি সেনাদের সাথে তাদের সংঘর্ষ বাধে।

বিস্তারিত →

কখনো ফিলিস্তিন রাষ্ট্র গড়তে দিবোনা: নেতানিয়াহু

সূত্র:  ফিলিস্তিন রাষ্ট্র গড়ে উঠতে দেবেন না ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনইয়ামিন নেতানিয়াহু।তিনি স্পষ্ট করেই বলেছেন যে এবার পুনঃনির্বাচিত হলে তিনি কিংবা তিনি ক্ষমতায় থাকতে কখনো ফিলিস্তিন নামে রাষ্ট্র গড়ে উঠতে দেয়া হবে না।

সাধারণ নির্বাচনের আগের সন্ধ্যায় তিনি এই বক্তব্য দেন। মঙ্গলবার এ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে।মনে করা হচ্ছে তার দল লিকুদ পার্টির প্রতি জনসমর্থন আরো সংহত করবার জন্য এমন শক্ত অবস্থান নিয়েছেন তিনি। বিস্তারিত →

৪০০ ফিলিস্তিনি বাড়ি ভাঙতে নেতানিয়াহুর নির্দেশ

সূত্র: তেলআবিব: ফিলিস্তিনের পশ্চিম তীরে নতুন নির্মিত ৪০০ বাড়ি ভেঙে দেয়ার নির্দেশ দিয়েছেন ইসরাইলের যুদ্ধবাজ প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু।
এসব ঘর-বাড়ি তৈরি করার জন্য ইউরোপীয় ইউনিয়ন অর্থের যোগান দিয়েছিল বলে ব্রিটিশ পত্রিকা ডেইলি মেইলে খবর বের হওয়ার পর নেতানিয়াহু এ নির্দেশ দিলেন। ইসরাইল বলছে, এসব ঘর-বাড়ি নির্মাণের আগে ইউরোপীয় ইউনিয়নের উচিত ছিল তেল আবিবের কাছ থেকে অনুমতি নেয়া।

জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে ফিলিস্তিনি প্রস্তাব ব্যর্থ

সূত্র: জেরুজালেম: ফিলিস্তিনে তিন বছরের মধ্যে ইসরাইলি দখলদারিত্ব অবসান চেয়ে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে আনা প্রস্তাব ভোটাভুটিতে প্রত্যাখ্যান হয়েছেপ্রস্তাবটি পাস হতে হলে অন্তত নয়টি ভোট পাওয়া প্রয়োজন ছিল। কিন্তু প্রয়োজনীয় ভোটের চেয়ে এক ভোট কম পাওয়ায় প্রস্তাবটি আপনা-আপনিই বাতিল হয়ে যায়।

jerujalem 1

প্রস্তাবটির বিপক্ষে ভোট দিয়েছে আমেরিকা ও অস্ট্রেলিয়া। ফিলিস্তিনি ভূমিতে তিন বছরের মধ্যে ইসরাইলি দখলের সমাপ্তি চেয়ে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে এ প্রস্তাবটি এনেছিল জর্ডান।

 

বিস্তারিত →

ইসরাইলি পুলিশের হামলায় ফিলিস্তিনি মন্ত্রী নিহত

সূত্র:  গাজা: অবরুদ্ধ পশ্চিম তীরে ইসরাইলি পুলিশের হামলায় ফিলিস্তিনের এক মন্ত্রী নিহত হয়েছেন। নিহত এই মন্ত্রীর নাম জিয়াদ আবু আইন। সংঘর্ষের সময় থাকে কলারে চেপে ধরে নিয়ে যায় ইসরাইলি পুলিশ।এর পাশাপাশি বিক্ষোভকারীদের লক্ষ্য করে টিয়ারশ্যাল নিক্ষেপ করা হয়।

israil

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, “ফিলিস্তিনি মন্ত্রীকে ধরে নিয়ে যাবার কিছুক্ষণ পড়ই মাটিতে লুটিয়ে পড়েন তিনি।এরপর থাকে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।”

ফিলিস্তিনের জন্য তহবিল গঠন করছে ওআইসি

সুত্র: ফিলিস্তিনের জন্য অর্থ সহায়তা সংগ্রহ করতে একটি স্থায়ী তহবিল গঠনের কথা জানিয়েছে ইসলামী সম্মেলন সংস্থা ওআইসি। বুধবার নিউইয়র্কে জাতিসংঘের মহাসচিব বান কি মুনের সঙ্গে সাক্ষাতের পর এ পরিকল্পনার কথা জানান ওআইসির মহাসচিব একমেলুদ্দিন ইহসানোগলু।

সাক্ষাতে উভয়ের মধ্যে সিরিয়া ও মালি সঙ্কট নিরসন এবং মিয়ানমারের রোহিঙ্গা ইস্যু নিয়ে আলোচনা হয়।ওআইসি মহাসচিব বলেন, এই তহবিল থেকে ফিলিস্তিনিদের জীবনের দৈনন্দিন ব্যয় মেটানোসহ তাদের ওপর ইসরাইলি সরকারের করের বোঝা কমাতে সহায়তা করবে।

বিস্তারিত →

ইসরায়েলের বাধায় ভেস্তে গেল ন্যাম বৈঠক

Ref:
বাংলাদেশসহ কয়েকটি দেশের কূটনীতিকদের ঢুকতে ইসরায়েলের বাধার কারণে ফিলিস্তিনে জোট নিরপেক্ষ আন্দোলনের (ন্যাম) একটি বৈঠক ভেস্তে গেছে।

পশ্চিম তীরে রোববার এই বৈঠক হওয়ার কথা ছিল। এতে ফিলিস্তিনি নেতৃত্বের প্রতি সমর্থন প্রকাশ করে ন্যামের ‘ফিলিস্তিনি কমিটি’র নেতাদের আলোচনার কথা ছিল।

কিন্তু রাষ্ট্র হিসেবে ইসরায়েলকে স্বীকৃতি না দেওয়ায় তেল আবিব তার দেশের ভূখণ্ড দিয়ে বাংলাদেশ, কিউবা, ইন্দোনেশিয়া ও মালয়েশিয়া প্রতিনিধিদের ঢুকতে অনুমতি দেয়নি। ফলে বৈঠকটি হয়নি।

পশ্চিম তীরে ঢুকতে ইসরায়েলে নেমে জর্ডানের সীমান্তবর্তী একটি ইসরায়েলি তল্লাশিকেন্দ্র পার হতে হয়।

এই বৈঠকে মালয়শিয়া ও ইন্দোনেশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী এবং কিউবা ও বাংলাদেশের কূটনীতিকের অংশ নেওয়ার কথা ছিল।

ফিলিস্তিনি কর্মকর্তারা জানান, বৈঠকে অংশ নিতে মিশর ও জিম্বাবুয়ের পররাষ্ট্রমন্ত্রীসহ অন্য প্রতিনিধিরা জর্ডান পৌঁছলেও চার দেশের প্রতিনিধিদের ঢুকতে ইসরায়েল অনুমতি না দেওয়ায় তারা আর পশ্চিম তীরে ঢোকেননি।

ইসরায়েলের এক কর্মকর্তা জানান, ইসরায়েলকে স্বীকৃতি না দেওয়ায় বাংলাদেশ, কিউবা, ইন্দোনেশিয়া ও মালয়েশিয়ার দূতদের পশ্চিম তীরে ঢোকায় আপত্তি জানিয়েছেন তারা।

তবে মিশর, ভারত, কলম্বিয়া, দক্ষিণ আফ্রিকা, সেনেগাল, জাম্বিয়া ও জিম্বাবুয়ের প্রতিনিধিদের ট্রানজিট হিসেবে ইসরায়েলি ভূমি ব্যবহারের অনুমতি দেওয়া হয়েছিল।
বিস্তারিত →

জাতিসংঘ সদস্যপদ: ফিলিস্তিনের ভবিষ্যৎ নিয়ে সংশয়

সূত্র: জাতিসংঘের পূর্ণ সদস্যপদ চেয়ে ফিলিস্তিনের করা আবেদনের বিষয়ে ঐক্যমতে পৌঁছাতে পারেনি নিরাপত্তা পরিষদের গুরুত্বপূর্ণ একটি কমিটি। ওই কমিটির একটি খসড়া প্রতিবেদনে একথা বলা হয়েছে।

এতে ফিলিস্তিনের জাতিসংঘের পূর্ণ সদস্যপদ পাওয়া নিয়ে সংশয় দেখা দিয়েছে।মঙ্গলবার নিরাপত্তা পরিষদের ১৫ সদস্য রাষ্ট্রের কাছে বিতরণ করা বিশেষ ওই কমিটির প্রতিবেদনে বলা হয়, নিরাপত্তা পরিষদের কাছে সর্বসম্মতভাবে সুপারিশ করতে পারেনি কমিটি।

বিস্তারিত →

ফিলিস্তিনের জন্য নতুন ধাক্কা নিরাপত্তা পরিষদে ভোটদানে বিরত থাকবে যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, কলম্বিয়া

সূত্র: জাতিসংঘের সদস্যপদ পাওয়ার ক্ষেত্রে নতুন ধাক্কা খেল ফিলিস্তিন। যুক্তরাষ্ট্র আগেই বলে রেখেছে, নিরাপত্তা পরিষদে ফিলিস্তিনের আবেদনের ওপর ভোটাভুটির সময় তারা ভেটো দেবে।

এবার জানা গেল, যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স ও কলম্বিয়া ভোটদানে বিরত থাকবে। জাতিসংঘের এক কূটনীতিক গত বৃহস্পতিবার এ কথা জানিয়েছেন। তবে এ তিন দেশ আনুষ্ঠানিকভাবে এখনো এ ব্যাপারে কিছু জানায়নি।

বিস্তারিত →