Tag: পদ্মা সেতু

আবুল হোসেনকে বাদ দিয়ে প্রশ্নবিদ্ধ দুদক: বিশ্ব ব্যাংক

সুত্র: পদ্মা সেতু প্রকল্পে ‘দুর্নীতির’ তদন্ত পর্যবেক্ষণে গঠিত বিশ্ব ব্যাংকের তিন সদস্যের দল মামলায় সৈয়দ আবুল হোসেনকে আসামি না করা নিয়ে প্রশ্ন তুলে প্রতিবেদন দিয়েছে।

bbb

গত ফেব্রুয়ারিতে দেয়া তাদের ওই প্রতিবেদন মঙ্গলবার নিজেদের ওয়েবসাইটে তুলেছে বিশ্ব ব্যাংক, যা কয়েকদিন আগে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিতের হাতে তুলে দেয়া হয়।

 

বিস্তারিত →

মালয়েশিয়ার প্রস্তাবের পদ্মা সেতুতে গচ্চা যাবে ৪১ হাজার কোটি টাকা

সূত্র: পদ্মা সেতু নির্মাণে মালয়েশিয়ার এবারের প্রস্তাবেও রয়েছে শুভঙ্করের ফাঁক। ঢাকায় ঘটা করে সংবাদ সম্মেলনে পদ্মা সেতুতে মালয়েশিয়া ২৩০ কোটি ডলার বিনিয়োগ করবে বলে জানানো হলেও আসলে মালয়েশিয়া কোনো বিনিয়োগই করবে না।
Padma-Setu
মালয়েশিয়ার এক্সিম ব্যাংক অর্থায়ন করবে বলে ঢাকা ঘোষণায় বলা হলেও কুয়ালালামপুরে সেখানকার রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা জানিয়েছে অর্থায়ন চাওয়া হয়েছে চীনা কোম্পানির কাছে।

বিস্তারিত →

চলতি বছর বাংলাদেশে সামরিক অভ্যুত্থানের প্রবল ঝুঁকি রয়েছে : পদ্মা সেতুর ভবিষ্যত্ অনিশ্চিত, রাশিয়ার ঋণচুক্তি লোভনীয়

সূত্র: চলতি বছর ‘বাংলাদেশ বিশেষভাবে সামরিক অভ্যুত্থানের প্রবল ঝুঁকিতে রয়েছে’ বলে মন্তব্য করেছে বিশ্বখ্যাত ব্রিটিশ সাময়িকী ইকোনমিস্ট। বিশ্বব্যাপী বহুল পঠিত এই সংবাদপত্রটি বলেছে, দাতা সংস্থাগুলো পদ্মা সেতু থেকে মুখ ফিরিয়ে নেয়ায় বাংলাদেশের বৃহত্তম এ প্রকল্পের ভবিষ্যত্ অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে।

গতকাল সংবাদপত্রটির অনলাইন সংস্করণে প্রকাশিত এক নিবন্ধে আরও বলা হয়েছে, বাংলাদেশের ৫ কোটি ৩০ লাখ লোক এখনও দারিদ্র্যসীমার নিচে বাস করে। নিবন্ধে বাংলাদেশের বিদ্যুত্ খাতের করুণ চিত্র তুলে ধরে বলা হয়, বিশ্বব্যাংকের সাম্প্রতিক জরিপমতে বিদ্যুত্ সুবিধার দিক দিয়ে ১৮৫টি দেশের মধ্যে সবার নিচে বাংলাদেশ—১৮৫তম!

বিস্তারিত →

বিশ্ব ব্যাংকের অর্থ নেবে না বাংলাদেশ

সুত্র:
দেশের সবচেয়ে বড় অবকাঠামো প্রকল্প পদ্মা সেতু নির্মাণে বিশ্ব ব্যাংকের সঙ্গে চুক্তির পর দুই বছরের টানাপড়েন শেষে অর্থায়নের অনুরোধ ফিরিয়ে নিয়েছে বাংলাদেশ।


শুক্রবার বিশ্ব ব্যাংকের এক বিবৃতিতে এ কথা জানানো হয়।

বিবৃতিতে বলা হয়, “বাংলাদেশ সরকার গতকাল বিশ্ব ব্যাংককে জানিয়েছে, তারা পদ্মা সেতুর জন্য অর্থায়নের অনুরোধ প্রত্যাহার করে নিচ্ছে।”

২৯০ কোটি ডলারের এ প্রকল্পে বিশ্ব ব্যাংকের ১২০ কোটি ডলার দেয়ার কথা ছিল।

অর্থমন্ত্রীর শেষ চেষ্টা বিশ্ব ব্যাংকে ধরনা দিতে ওয়াশিংটন যাচ্ছেন

সুত্র: বিশ্বব্যাংকের অর্থায়ন ছাড়া বর্তমান সরকারের আমলে পদ্মা সেতু নির্মাণ শুরু সম্ভব হবে না মন্তব্য করে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত জানিয়েছেন প্রকল্প নিয়ে আলোচনা করতে তিনি ওয়াশিংটন যাচ্ছেন। ফেব্রুয়ারি মাসে ওয়াশিংটন যেতে বিশ্বব্যাংকের প্রেসিডেন্টের কাছে সময় চেয়েছেন তিনি।

গতকাল বিকালে সচিবালয়ে আবুধাবির বাণিজ্যমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত বলেন, ‘ফেব্রুয়ারি মাসে আমি বিশ্বব্যাংকের প্রেসিডেন্টের কাছে সময় চেয়েছি। তবে এখনও পাইনি। তিনি যখন সময় দেবেন, তখনই আমি ওয়াশিংটন যাব।’

বিস্তারিত →

দীর্ঘ ছুটিতেও আপত্তি নেই মসিউরের

সূত্র: সরকারের সঙ্গে বিশ্ব ব্যাংকের সমঝোতা হলে দীর্ঘ ছুটিতে যেতেও আপত্তি নেই বলে জানিয়েছেন পদ্মা সেতু প্রকল্প নিয়ে চাপের মধ্যে থাকা মসিউর রহমান।

ছুটি শেষে কাজে যোগ দেয়া নিয়ে আলোচনার মধ্যে এ নিয়ে অর্থমন্ত্রীর বিবৃতির পর রোববার সন্ধ্যায় তিনি সাংবাদিকদের বলেন, “সরকারের সঙ্গে বিশ্ব ব্যাংকের কোনো আন্ডারস্ট্যান্ডিং যদি হয়ে থাকে, প্রধানমন্ত্রী ও সরকার যদি তাতে সম্মত হয়ে থাকে, তবে আরো দীর্ঘ ছুটিতে থাকতেও আমার কোনো আপত্তি নেই।”

বিস্তারিত →

পদ্মা আলোচনায় আসছে না বিশ্ব ব্যাংক

সূত্র: পদ্মা সেতু নির্মাণে অর্থায়নে ফের রাজি হওয়া বহুজাতিক ঋণদাতা বিশ্ব ব্যাংক সোমবারের নির্ধারিত বৈঠকে অংশ নিচ্ছে না।

সেতুর বাস্তবায়ন কৌশল ঠিক করতে নির্ধারিত বৈঠকে অংশ নিতে অন্যতম ঋণদাতা এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের (এডিবি) প্রতিনিধি দল ঢাকায় এলেও বিশ্ব ব্যাংকের প্রতিনিধি দল আপাতত আসছে না।

বিস্তারিত →

বিশ্ব ব্যাংককে ফেরাতে চীনও চেষ্টায়

সূত্র: পদ্মা সেতু প্রকল্পে বিশ্ব ব্যাংককে ফিরিয়ে আনতে চীনের পক্ষ থেকেও তৎপরতা রয়েছে বলে জানিয়েছেন ঢাকায় দেশটির রাষ্ট্রদূত লি জুন।বহুল আলোচিত এই প্রকল্পে বিশ্ব ব্যাংককে ফিরিয়ে আনতে সরকারের প্রচেষ্টার মধ্যে রোববার একথা জানালেন তিনি।

চীনের রাষ্ট্রদূত দূতাবাসে সাংবাদিকদের বলেন, “আমরা আমাদের পদ্ধতিতে বিশ্ব ব্যাংকে বাংলাদেশকে সহযোগিতা করছি।”বিশ্ব ব্যাংকের সিদ্ধান্তে চীন দুঃখিত জানিয়ে তিনি বলেন, “চীন আশা করে বিশ্ব ব্যাংক এ প্রকল্প আবার বিবেচনা করবে এবং পদ্মা সেতু নির্মিত হবে।”

বিস্তারিত →

‘বিশ্ব ব্যাংকের সঙ্গে সমঝোতা চূড়ান্ত পর্যায়ে’

সূত্র: – পদ্মা সেতু প্রকল্পে ফিরিয়ে আনতে বিশ্ব ব্যাংকের সঙ্গে সমঝোতা চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে জানিয়ে আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে তাতে সফলতা আশা করছেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত।

তিনি শনিবার তার মিন্টো রোডের বাড়িতে বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “সমঝোতার সব বাধা-বিপত্তি কেটে যাচ্ছে। আশা করছি, এক সপ্তাহের মধ্যে সমাধান হবে।”

গত বছরের সেপ্টেম্বরে দুর্নীতির অভিযোগ তোলার পর কয়েকটি শর্ত সরকারকে দিয়েছিল বিশ্ব ব্যাংক। তা পালন হয়নি বলে অভিযোগ জানিয়ে গত জুনে অর্থায়ন বাতিল করে তারা।

তবে অর্থায়ন বাতিলের পর এই প্রকল্প নিয়ে অভিযোগের মুখে থাকা মন্ত্রী সৈয়দ আবুল হোসেন পদত্যাগ করেন। সেতু বিভাগের সাবেক সচিব মোশাররফ হোসাইনও ছুটিতে যান।

পদ্মা সেতু প্রকল্পের ইন্টিগ্রিটি অ্যাডভাইজর ও প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মশিউর রহমানও সরে যাচ্ছেন বলে শনিবার বেশ কয়েকটি জাতীয় দৈনিকে সংবাদ ছাপা হয়েছে।

অর্থমন্ত্রী বলেছেন, বিশ্ব ব্যাংক প্রকল্পে ফিরে এলে আগামী নভেম্বরে দরপত্র আহ্বান করা হবে। আর আগামী বছরের এপ্রিলের দিকে শুরু হবে সেতু নির্মাণের কাজ।
বিস্তারিত →

নিজস্ব অর্থে পদ্মা সেতু প্রবৃদ্ধির গতি কমাবে

নিজস্ব অর্থায়নে পদ্মা সেতু নির্মাণ করা হলে স্বাস্থ্য-শিক্ষার মতো গুরুত্বপূর্ণ খাতে বরাদ্দ কমে যাওয়ার পাশাপাশি অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির গতি শ্লথ হয়ে যেতে পারে বলে মনে করেন একজন অর্থনীতিবিদ, যিনি জাতিসংঘ ও বিভিন্ন কেন্দ্রীয় ব্যাংকের হয়ে কাজ করেছেন।

আবদুর রহিম চৌধুরী বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের মারকুয়েট বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করছেন। তার মতে, অন্য খাত থেকে তহবিল সরিয়ে পদ্মা সেতুতে দিলে ব্যাপক কৃচ্ছ্ব সাধনের প্রয়োজন পড়বে, আর তাতে পিছিয়ে পড়বে সামাজিক উন্নয়ন কর্মকাণ্ড।

তিনি বলেন, বাংলাদেশ বর্তমানে ৬ শতাংশ হারে বার্ষিক প্রবৃদ্ধি অর্জন করলেও এই অর্জন সব খাতে সমানভাবে হচ্ছে না।

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে দেওয়া এক ই-মেইল সাক্ষাৎকারে ফিনিশ কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সাবেক গবেষক আবদুর রহিম চৌধুরী আশঙ্কা প্রকাশ করেন, গত দুই মাসে বাংলাদেশে খাদ্যের দাম কিছুটা কমে এলেও যুক্তরাষ্ট্রসহ কয়েকটি দেশে খরার কারণে বিশ্বজুড়ে খ্যাদ্য মূল্যস্ফীতি আবার বাড়তে পারে।

“তাছাড়া কুইক রেন্টাল বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলোর জন্য আমাদের জ্বালানি আমদানির ব্যয় অনেক বেড়ে গেছে। এর প্রভাবে অভ্যন্তরীণ মূল্যস্ফীতিও ধীরে ধীরে বাড়বে”, বলেন তিনি।

বাংলাদেশ ব্যাংকের বিদ্যমান মুদ্রানীতি দেশের অর্থনীতির খুব একটা উপকারে আসছে না বলেও মত প্রকাশ করেন ইউরোপে জাতিসংঘ অর্থনৈতিক কমিশনের সাবেক প্রধান অর্থনীতিবিদ আবদুর রহিম।

তিনি বলেন, “এই সঙ্কোচনমূলক মুদ্রানীতি অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির গতি টেনে ধরবে এবং আর্থিক খাতের বিশৃঙ্খলা বাড়াবে।”

এই মুদ্রানীতি দিয়ে সাময়িকভাবে মূল্যস্ফীতি কমিয়ে আনা সম্ভব হলেও ব্যাংক ব্যবস্থা থেকে সরকারের ঋণ করার প্রবণতার কারণে বেসরকারি খাতে ঋণপ্রবাহ সীমিত হয়ে আসবে। এতে করে ব্যাংক খাতে তারল্য সঙ্কট তৈরি হবে বলেও মনে করেন এই অর্থনীতিবিদ।

তিনি বলেন, শিল্পের কাঁচামাল, মধ্যবর্তী পণ্য ও মূলধনী যন্ত্রপাতি আমদানির ক্ষেত্রে বংলাদেশ ব্যাংকের আরো সতর্ক নীতি গ্রহণ করা উচিৎ। পাশাপাশি গার্মেন্ট শিল্পের মতো উৎপাদনমুখী খাতে ঋণপ্রবাহ বাড়ানো যেতে পারে।

নিজস্ব অর্থায়নে পদ্মা সেতু নির্মাণের উদ্যোগ নিয়েও নিজের শঙ্কার কথা প্রকাশ করেছেন জন হপকিনস বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক এই অধ্যাপক।

তিনি বলেন, যেহেতু প্রকল্প ব্যয়ের একটি বড় অংশ বিদেশি মুদ্রায় মেটাতে হবে, সেহেতু নিজস্ব অর্থায়নে পদ্মা সেতু নির্মাণ করতে গেলে ডলারের বিপরীতে টাকা অনেক দুর্বল হয়ে পড়বে।

তাছাড়া ছয় কিলোমিটার দীর্ঘ এই অবকাঠামো নির্মাণে দুর্নীতির অভিযোগের বিষয়টি সুরাহা না হলে ঋণদাতারা অতি সতর্ক অবস্থান নিতে পারে। আর সেক্ষেত্রে বিদেশি ঋণ প্রাবাহও কমে যাবে বলে সতর্ক করে দেন আবদুর রহিম চৌধুরী।

বাংলাদেশের অর্থনীতির সামনে চ্যালেঞ্জগুলো কি- এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, “প্রবৃদ্ধির হার কতো হলো সেদিকে খুব বেশি গুরুত্ব দেওয়ার বদলে আমাদের প্রবৃদ্ধির মান নিয়ে কাজ করা উচিৎ। এই প্রবৃদ্ধি হতে হবে সব খাতে সামগ্রিকভাবে, যাতে আরো বেশি মানুষ এর সুফল ভোগ করতে পারে। একইসঙ্গে এই প্রবৃদ্ধিকে পরিবেশবান্ধবও হতে হবে।”
বিস্তারিত →