Category: মুসলিম বিশ্ব

আসাদ হটাতে অস্ত্র হাতে ১০ ভাই

http://www.amardeshonline.com/pages/details/2013/02/25/189491#.USrWs2fs6_I:দু’বছর আগে সিরিয়ায় শুরু হয় সরকারবিরোধী আন্দোলন। এক পর্যায়ে সহিংসতায় রূপ নেয় জনবিক্ষোভ। অনেকেই প্রেসিডেন্ট বাশার আল আসাদকে উত্খাত করতে বাধ্য হয়ে হাতে তুলে নিয়েছে অস্ত্র। আসাদ পরিবারের দীর্ঘদিনের শাসন থেকে মুক্ত হতে অস্ত্র হাতে যুদ্ধ করছে এক মায়ের ১০ সন্তান।

আসাদ হটাতে অস্ত্র হাতে ১০ ভাই

আসাদ হটাতে অস্ত্র হাতে ১০ ভাই

শেখ নায়িমি বলেন, ‘আমাদের লুকানোর আর কিছু নেই।’কয়েক দিনের মধ্যে তার সঙ্গে তার ভাইরা এবং অন্যান্য আত্মীয়রা যোগ দেন। মুসলিম ব্রাদারহুড আন্দোলনের সঙ্গে যোগ দিয়েছেন ১০ ভাই। ৪০ বছরেরও বেশি সময় থেকে সিরিয়ায় লৌহমানব হিসেবে পরিচিত হাফেজ আল-আসাদ ও তার ছেলে বাশার আল-আসাদের প্রতি বিধ্বংসী হুমকি হিসেবে দেখা হয় মুসলিম ব্রাদারহুডকে।

যুদ্ধে অংশ নিতে পেরে গর্ববোধ করেন ওই সহোদররা। জীবনের শ্র্রেষ্ঠ সময় যাচ্ছে তাদের। ২০১১ সালের জানুয়ারির কোনো এক সন্ধ্যায় নিজের ঘনিষ্ঠ পুরুষ আত্মীয়দের নিয়ে এক বৈঠক ডাকেন মোহাম্মেদ রিয়াস। মোহাম্মেদ রিয়াস পেশায় একজন ট্যাক্সি চালক এবং পরিবারপ্রধান। সিরিয়ার উত্তরাঞ্চলের নিজ বাড়িতে ডাকা ওই বৈঠকে মোহাম্মেদ রিয়াসসহ যোগ দেন মোট ১৩ জন। এদের মধ্যে ৯ জন ছিল মোহাম্মেদ রিয়াসের সহোদর এবং অন্য তিনজন চাচাতো ভাই। বিস্তারিত →

ইরানে ইউরেনিয়ামের নতুন মজুদ

সূত্র:পরমাণু প্রকল্পে ব্যবহার উপযোগী পর্যাপ্ত ইউরেনিয়াম খনিজ মুজদ পাওয়ার ঘোষণা দিয়েছে ইরান। ইরানের কাছে বর্তমানে যে পরিমাণ ইউরেনিয়াম মজুদ আছে তার চেয়ে নতুন পাওয়া মজুদ প্রায় তিন গুণ বেশি। আরো ১৬টি পরমাণু কেন্দ্র স্থাপনেরও সিদ্ধান্ত নিয়েছে তারা। গত শনিবার ইরানের পরমাণু শক্তি সংস্থার (এইওআই) বরাত দিয়ে রাষ্ট্রীয় সংবাদপত্র আইআরএনএ এ খবর জানিয়েছে। আগামীকাল মঙ্গলবার পরমাণু কর্মসূচি নিয়ে পশ্চিমা দেশগুলোর সঙ্গে বৈঠকের ঠিক আগে ইরান এসব তথ্য জানালো।

এইওআইয়ের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, ইরানের দক্ষিণাঞ্চলের উপকূলীয় এলাকায় ইউরেনিয়ামের নতুন মজুদের সন্ধান পাওয়া গেছে। দেড় বছর ধরে অনুসন্ধান চালিয়ে এ ইউরেনিয়ামের সন্ধান পাওয়া গেছে। বর্তমানে সব মিলিয়ে ইরানের কাছে ইউরেনিয়াম মজুদের পরিমাণ চার হাজার ৪০০ টনে দাঁড়িয়েছে। যদিও নিরপেক্ষ কোনো সংস্থা বিষয়টি নিশ্চিত করেনি। তবে এর আগে পশ্চিমা বিশেষজ্ঞরা ধারণা করেছিলেন, ইরানে হাতে গোনা ইউরেনিয়াম খনি আছে। বিস্তারিত →

মুসলিম বিশ্বমুখী পররাষ্ট্রনীতি ও জনশক্তি রপ্তানি প্রসঙ্গে

সূত্র: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সম্প্রতি ভিয়েতনাম ও রাশিয়া সফর করেছেন। রাশিয়া বাংলাদেশকে আট হাজার কোটি টাকা রাষ্ট্রীয় ঋণ দেবে। এই ঋণের অর্থ থেকে রাশিয়ার কাছ থেকে সেনা ও বিমান বাহিনীর জন্য সমরাস্ত্র কিনবে বাংলাদেশ। পররাষ্ট্র সম্পর্ক উন্নয়ন আর্ন্তজাতিক অঙ্গনে ক্রিয়াশীল ও প্রভাবশীল রাষ্ট্র হিসেবে আত্মপ্রকাশে পররাষ্ট্র সফর অবশ্যই ইতিবাচক। তবে, পররাষ্ট্র সম্পর্ক নির্ধারণে দেশের জনগণের সংস্কৃতি, ইতিহাস ও ঐতিহ্য বিশেষ গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করা উচিত। আর এ বিষয়গুলো আমাদের পররাষ্ট্রনীতিতে বর্তমান সরকার উপেক্ষা করছে।

মধ্যপ্রাচ্য শুধু আমাদের জনশক্তির বাজার নয়, আমাদেও ঔষধ ও সবব্জি রপ্তানির এক বিশাল বাজার। আমাদের ৯০ ভাগ জ্বালানি তেল ও পেট্রোলিয়াম আমদানি হয় মুসলিম বিশ্বের দেশগুলো থেকে। এছাড়া আমাদের দেশে কোনো প্রকার দাদাগিরি ছাড়া যে সকল নিঃশর্ত সাহায্য ও অনুদান বা দান আসে তা মধ্যপ্রাচ্য থেকে আসে । আমাদের ধর্মীয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে (মসজিদ-মাদ্রাসা) লক্ষ লক্ষ শিক্ষার্থী তাদের শিক্ষা, বই-পুস্তক, খাদ্য ও অন্যান্য সুযোগ পায় মুসলিম বিশ্বের দেশগুলোর সাহায্য থেকে। ২০০৭ সালের বন্যার সময় আমরা দেখেছি নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক সৌদি নাগরিক বিশাল অঙ্কের দান করেছিলেন। আমাদের উপলব্ধি করা উচিত, কী ছিল আমাদের প্রতি তার টানের উৎস! তিনি কী মুহম্মদ (স) এর এই বাণী উপলব্ধি করেছিলেনÑ“মুসলিম উম্মাহ একই শরীরের অংশ”।

মুসলিম বিশ্বের দেশগুলোতে নতুন করে জনশক্তি রপ্তানি করতে আগ্রহ দেখা যাচ্ছে না বর্তমান সরকারের মধ্যে। প্রধানমন্ত্রী গত বছর ওআইসির সম্মেলনে গেলেন না। মুসলিমদেশ ও মুসলিমদের সংগঠনের প্রতি তার এতো বিতৃষ্ণা কেনো! অথচ এটি জাতিসংঘের পর বিশ্বের সবচেয়ে বড় সংগঠন। রোহিঙ্গা সমস্যা সংশ্লিষ্ট দেশ ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া ও সৌদি আরবের সঙ্গে এ ফোরামে আলোচনা করে রহিঙ্গা সমস্যা সমাধানে কার্যকর কিছু পদক্ষেপ নেওয়া যেত।

জাতীয় স্বার্থের সঙ্গে ঐতিহাসিক সম্পর্ক, ঐতিহ্য, সংস্কৃতি পররাষ্ট্র সম্পর্কের ক্ষেত্রে গুরুত্ব দেওয়া উচিত। এ বিচারে মুসলিম বিশ্ব তথা মধ্যপ্রাচ্য সর্বোচ্চ গুরুত্বের দাবিদার। কারণ, রাষ্ট্রীয় সম্পর্ক উন্নয়নে প্রয়োজন দুদেশের জনগণের মধ্যে সম্পর্ক উন্নয়ন। সে ক্ষেত্রে মুসলিম বিশ্বের মানুষের সঙ্গে আমাদের সংস্কৃতি, বিশ্বাস ও মূলবোধ্যের মিল ইতিবাচক ভূমিকা পালন করছে ও করবে। বিস্তারিত →

ইরানে ভূমিকম্পে নিহত ২২০

ইরানে দুই দফা ভূমিকম্পে অন্তত ২২০ জন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছে আরো অন্তত দেড় হাজার মানুষ।

যুক্তরাষ্ট্রের ভূতাত্ত্বিক জরিপ দপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, ইরানের স্থানীয় সময় শনিবার বিকালে দেশটির উত্তরপশ্চিমাঞ্চলীয় পূর্ব আজারবাইজান প্রদেশে ৬ দশমিক ৪ এবং ৬ দশমিক ৩ মাত্রার এ ভূমিকম্প হয়।

ইরানের উপ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হাসান ঘাদামির বরাত দিয়ে ইরানের আধা সরকারি বার্তা সংস্থা ফার্স বলছে, ভূমিকম্পে ২২০ জন নিহত হয়েছেন।আর পূর্ব আজারবাইজান প্রদেশের দুর্যোগকালীন পরিস্থিতি মোকাবেলা কেন্দ্রের প্রধান খালিদ সাই জানিয়েছেন, ভূমিকম্পে দেড় হাজার মানুষ আহত হয়েছেন।

ইরানের গণমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, ভূমিকম্পে ছয়টি গ্রাম পুরোপুরি ধ্বংসস্তূতে পরিণত হয়েছে। প্রায় ৬০টি গ্রামে অর্ধেকেরও বেশি ঘরবাড়ি ভেঙে পড়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত কয়েকটি গ্রামে এখনো উদ্ধারকারীরা পৌঁছাতে পারেনি বলে ফার্সের খবরে জানানো হয়েছে।

স্থানীয় এক কর্মকর্তার বরাত দিয়ে ইরানের সংবাদ সংস্থা আইআরএনএ জানায়, সবচেয়ে বেশি মানুষ হতাহত হয়েছে ভারজাগান ও আহার শহরে।

যুক্তরাষ্ট্রের ভূতাত্ত্বিক জরিপ দপ্তর বলছে, স্থানীয় সময় বিকাল ৪টা ৫৩ মিনিটে প্রথম ভূমিকম্পের কেন্দ্র ছিল তাবরিজ শহরের ৬০ কিলোমিটার উত্তরপূর্বে ভূ-পৃষ্ঠের ৯ দশমিক ৯ কিলোমিটার গভীরে।

এর ১১ মিনিটের মাথায় তাবরিজের ৪৯ কিলোমিটার উত্তরপূর্বে একই গভীরতায় দ্বিতীয় ভূমিকম্পের উৎপত্তি। এরপর ১৮টি পরাঘাত অনুভূত হয়েছে ওই এলাকায়।

ভার্জান শহরের কাছে দ্বিতীয় ভূমিকম্প হয় জানিয়ে সংবাদ সংস্থা ফার্স বলেছে, “এ ভূমিকম্প এতো শক্তিশালী ছিল যে, আতঙ্কে সবাই রাস্তায় বের হয়ে আসে।”

আহার শহরের বাসিন্দা আব্বাস ফাল্লাহর উদ্ধৃতি দিয়ে ইরানের আধা সরকারি মেহর বার্তা সংস্থা জানায়, ভূমিকম্পে টেলিফোন যোগাযোগ ব্যবস্থা ভেঙে পড়ায় উদ্ধার কাজ ব্যাহত হচ্ছে।
বিস্তারিত →

হিশাম কান্দিল মিসরের নতুন প্রধানমন্ত্রী

সূত্র: মিসরের প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ মুরসি সাবেক সেচ ও পানিসম্পদমন্ত্রী হিশাম কান্দিলকে দেশের নতুন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ দিয়েছেন। কান্দিলকে মন্ত্রিসভা গঠনের দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। প্রেসিডেন্টের সঙ্গে আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে ক’দিনের মধ্যে তা সম্পন্ন করবেন বলে জানিয়েছেন নবনিযুক্ত প্রধানমন্ত্রী। মুরসি প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব নেয়ার ২৫ দিন পর প্রধানমন্ত্রীকে নিয়োগ দেয়া হলো।

হিশাম কান্দিল মিসরের নতুন প্রধানমন্ত্রী

হিশাম কান্দিল মিসরের নতুন প্রধানমন্ত্রী

মোবারক-পরবর্তী মিসরের অন্তর্বর্তী সরকারে সেচ ও পানিসম্পদমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন তিনি। মিসরের প্রেসিডেন্ট মুহাম্মদ মুরসি মঙ্গলবার হিশাম কান্দিলকে নতুন মন্ত্রিসভা গঠনের আহ্বান জানিয়েছেন বলে প্রচার করে মিসরের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন। বিপ্লব-পরবর্তী মিসরের শাসন ক্ষমতা পরিচালনাকারী সামরিক বাহিনী নিয়ন্ত্রিত অন্তর্বর্তী সরকার গত ৩০ জুন নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্ট মুরসির হাতে ক্ষমতা হস্তান্তর করে। হিশাম কান্দিল তত্কালীন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধানমন্ত্রী কামাল আল গানজুরির মন্ত্রিসভার সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। বিস্তারিত →

মালির উত্তরাঞ্চল ইসলামপন্থীদের দখলে

সূত্রঃ মালির উত্তরাঞ্চলের নিয়ন্ত্রণ পুরোপুরি নিজেদের হাতে বলে বৃহস্পতিবার ঘোষণা দিয়েছে দেশটির আল-কায়েদা সংশ্লিষ্ট ইসলামপন্থীরা। রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে তুয়ারেগ বিচ্ছিন্নতাবাদী গোষ্ঠীদের হটিয়ে মালির গাও শহর দখলের একদিন পর তারা এ ঘোষণা দিল।

তুয়ারেগ বিচ্ছিন্নতাবাদী গোষ্ঠী ও ওই ইসলামপন্থীরা একসময় এক জোট ছিল। মঙ্গলবার গাও শহর দখলের সময় উভয়ের মধ্যে সংঘর্ষে অন্ততপক্ষে ২০ জন নিহত হয়েছেন।
তুয়ারেগ গোষ্ঠীর ন্যাশনাল মুভমেন্ট ফর দ্য লিবারেশন অব আজাদ বা এমএনএলএ বিদ্রোহীরা ইতোমধ্যে দেশটির পশ্চিমাঞ্চলে তাদের আধিপত্য প্রতিষ্ঠা করেছে। বিস্তারিত →

ফিলিস্তিনি মুজাহিদদের দেহাবশেষ ফিরিয়ে দিলো ইসরায়েল

সূত্র: বিভিন্ন সময় ইসরাইলের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে নিহত ফিলিস্তিনি মুজাহিদদের দেহাবশেষ ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করেছে ইসরায়েল। বৃহস্পতিবার এ হস্তান্তর প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয় বলে জানিয়েছে সংবাদমাধ্যম। মোট ৯১টি দেহাবশেষ ফিরিয়ে দেওয়া হয়। এর মধ্যে পশ্চিমতীরের রামাল্লা শহরে ফাতাহ নিয়ন্ত্রিত ফিলিস্থিনি কর্তৃপক্ষের কাছে ৮০ টি দেহাবশেষ এবং হামাস নিয়ন্ত্রিত গাজায় অপর ১১ টি দেহাবশেষ ফিরিয়ে দেওয়া হয়।

ফিলিস্তিনে ইসরায়েলের অবৈধ দখলদারির বিরুদ্ধে প্রতিরোধ সংগ্রামে ১৯৬৭ সালের পর বিভিন্ন সময় তাদের মৃত্যু হয় বলে জানিয়েছে ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষ। তবে অধিকাংশ ক্ষেত্রেই তাদের মৃত্যু ইসরায়েলি ভূখণ্ডে সংঘটিত হওয়ায় সেখানেই সমাহিত করা হয় তাদের। বিস্তারিত →

ইসরায়েল নিয়ে গুন্টার গ্রাসের কবিতা : পশ্চিমা বিশ্বের কপটতায় ক্লান্ত আমরা

সূত্র:বিখ্যাত জার্মান সাহিত্যিক গুন্টার গ্রাসের সদ্য প্রকাশিত একটি কবিতা নিয়ে জার্মানিসহ অনেক জায়গাতেই আলোচনা-সমালোচনার ঝড় উঠেছে। ‘ভাস গেস্কাট ভেরডেন মুস’ বা ‘যে কথা অবশ্যই বলতে হবে’ শিরোনামের এই কবিতাটি বনেদি জার্মান দৈনিক সুদ ডয়েচে যাইটুংয়ের সাহিত্য পাতায় ৪ এপ্রিল প্রকাশিত হয়েছে। ৭০ লাইনের এ কবিতা প্রকাশের সঙ্গে সঙ্গে তা উঠে এসেছে আলোচনার বিষয়বস্তু হিসেবে।

এই কবি আরও লিখেছেন, ‘ইসরায়েল যে বিশ্বশান্তির অন্তরায়, আমি তা বলব। আমি আর নীরব হয়ে থাকব না, ইসরায়েলকে নিয়ে পশ্চিমা বিশ্বের ভণ্ড কপটতায় ভরা রাজনীতিতে ক্লান্ত আমরা, আর দেরি নয় এখনই তা বলতে হবে।’

সম্প্রতি পরমাণু শক্তির অধিকার প্রশ্নে ইসরায়েল ও পশ্চিমা বিশ্বের দেশগুলোর সঙ্গে ইরানের যে রাজনীতিক টানাপোড়েন চলেছে এবং ইসরায়েল ইরানে আক্রমণের যে হুংকার দিচ্ছে তা নিয়েই এ কবিতা। গুন্টার গ্রাস লিখেছেন, ‘যখন আরও অনেক দেশ এই পারমাণবিক শক্তির অধিকারী হয়েছে, আর আমার দেশ জার্মানি যুদ্ধ প্রস্তুতির অংশ হিসেবে ইসরাইলের জন্য ডুবোজাহাজ তৈরি করছে।’ বিস্তারিত →

আলেমদের আহ্বান : মসজিদুল আকসাকে মুক্ত করুন

সূত্র: বিশ্ব কুদস দিবসের শোভাযাত্রায় অংশগ্রহণ করে মুসলমানদের প্রথম কেবলামুক্ত করার আহ্বান জানিয়েছেন লেবানন ও ফিলিস্তিনের প্রভাবশালী ধর্মীয় নেতারা। ফিলিস্তিনের সাইদায় কুদস মসজিদের ইমাম শেখ মাহের হামুদ বলেছেন, দখলদার ইসরাইলের নাগপাশ থেকে কুদস শরিফকে মুক্ত করার লক্ষ্যে মুসলমানদের জিহাদের আহ্বান জানানো হয়েছে কুদস দিবসে।

লেবাননের মুসলিম নেতা আহমান আয যাররিন বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রসহ ইহুদিবাদীদের সমর্থক শক্তিগুলো মধ্যপ্রাচ্যে ইসরাইলের আধিপত্য প্রতিষ্ঠা করতে চায়। কিন্তু কুদস দিবসে বিশ্বের মুসলমানরা ইসরাইলের দখলদার ভূমিকার পাশাপাশি পশ্চিমা শক্তিগুলোর স্বরূপ বিশ্ববাসীর সামনে উন্মোচন করে দেবে। বিস্তারিত →

ফিলিস্তিনকে যুক্তরাষ্ট্রের শাসানি : একতরফা স্বীকৃতি চাইলে অর্থ সাহায্য বন্ধ হয়ে যাবে

সূত্র: জাতিসংঘের কাছ থেকে একতরফা স্বীকৃতি আদায়ের চেষ্টা করলে ফিলিস্তিনে অর্থ সহায়তা বন্ধ করে দেওয়ার হুমকি দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের আইনপ্রণেতারা। গত বুধবার এ-সংক্রান্ত একটি প্রস্তাব পেশ করা হয় মার্কিন কংগ্রেসের নিম্নকক্ষ প্রতিনিধি পরিষদে (হাউস অব রিপ্রেজেনটেটিভস)। বার্তা সংস্থাগুলোর খবর, গতকাল বৃহস্পতিবার বিকেলে (ওয়াশিংটনের স্থানীয় সময়) বড় ব্যবধানেই প্রস্তাবটি পাস হয়ে যাওয়ার কথা।

আগামী সেপ্টেম্বরে সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে জাতিসংঘের স্থায়ী সদস্য পদের জন্য আবেদন করার ঘোষণা দিয়েছে ফিলিস্তিন। জাতিসংঘের সদস্য পদ প্রাপ্তির অর্থ হলো স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে ফিলিস্তিনের আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি। বিস্তারিত →