Category: ইউরোপীয় ইউনিয়ন

কর্মক্ষেত্রে ধর্মীয় পোশাক পরার পক্ষে রায়

সূত্র:লন্ডন: অফিস আদালতে ধর্মীয় পোশাক কোনো সমস্যা হতে পারে না – এমন মতের পক্ষে রায় দিয়েছে ইউরোপীয় মানবাধিকার আদালত৷ তবে সঙ্গে এ-ও জানিয়েছে, স্বাধীনতা ততক্ষণ পর্যন্তই সমর্থনযোগ্য, যতক্ষণ না সেটা অন্য কারো অধিকার খর্ব করছে৷

এ সময় বৃটেনের খ্রিস্টানদের করা চারটি মামলার একটির পক্ষে এবং বাকি তিনটির বিরুদ্ধে রায় দেয় ইউরোপীয় মানবাধিকার আদালত৷ বৃটিশ এয়ারওয়েজের এক খ্রিস্টান কর্মী কাজের সময় ‘ক্রস’ পরতে চাইলে তাকে কাজ করার সুযোগ না দিয়ে আদালতের শরণাপন্ন হয়েছিল ওই বিমান সংস্থার নিয়োগকর্তারা৷আদালতের রায়ে বলা হয়েছে, যেহেতু কর্মীটির ওই ‘ক্রস’ পরা অন্য কাউকে কোনোভাবে আঘাত করছে না সে কারণে তাকে কাজ করার সুযোগ দিতে হবে৷

ইউরোপীয় মানবাধিকার আদালতের একটি রায় নিয়ে বেশ আলোচনা হচ্ছে৷ বিশেষ করে ইউরোপে অবস্থানরত অভিবাসী, যারা ধর্মচর্চার অংশ হিসেবে স্কার্ফে মাথা ঢেকে বা মাথায় পাগড়ি পরে অফিসে যেতে চান তারা বুঝতে চাইছেন এ রায়ের বিশেষত্ব৷ রায়ে আসলে একদিকে যেমন সব ধর্মাবলম্বীকে ধর্মবিশ্বাস থেকে পোশাক নির্বাচনের অধিকার দেয়া হয়েছে, তেমনি আবার মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে অন্যের প্রতি অবিচার না করার বিষয়টিকে সব সময় গুরুত্ব দেয়ার কথাও বলা হয়েছে খুব জোর দিয়ে৷ বিস্তারিত →

লিবিয়ায় বহুজাতিক বাহিনীর অভিযান: এবার পেছন থেকে কলকাঠি নাড়তে চায় যুক্তরাষ্ট্র!

সূত্র: ইরাক অভিযানে নেতৃত্ব দিয়ে যুক্তরাষ্ট্র যে সমালোচনার মুখে পড়েছিল, লিবিয়ার ক্ষেত্রে সেই একই ভুল করতে চাইছে না ওয়াশিংটন। বিশ্লেষকেরা বলেছেন, হামলার একক দায় এড়াতে যুক্তরাষ্ট্র এবার ব্রিটেন, ফ্রান্স ও ন্যাটো বাহিনীকে সামনে ঠেলে পেছন থেকে কলকাঠি নাড়ার নীতি গ্রহণ করেছে। মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী রবার্ট গেটসও বিষয়টি সাংবাদিকদের কাছে পরিষ্কার করেছেন।

রবার্ট গেটস গতকাল সোমবার রাশিয়ায় যাওয়ার পথে বিমানে তাঁর সহগামী সাংবাদিকদের বলেন, লিবিয়ায় হামলা চালানোর বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের ‘অগ্রবর্তী ভূমিকা’ থাকবে না। তিনি বলেন, প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা এ ক্ষেত্রে মার্কিন বাহিনীর সীমিত ভূমিকা পালনের বিষয়ে দৃঢ় অবস্থানে রয়েছেন। বিস্তারিত →

ইউরোপীয় ইউনিয়নের বিদায়ী রাষ্ট্রদূতের বক্তব্যের ব্যাপারে ঢাকায় মিশ্র প্রতিক্রিয়া

সূত্র:বাংলাদেশে ২০০৭ সালের ১/১১- পরিস্থিতির জন্য পশ্চিমা কূটনীতিকদের দায়ী মনে করা হলেও তা সঠিক নয়। এর জন্য দায়ী দেশের রাজনৈতিক দলগুলো। আজ (বৃহস্পতিবার) ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির উদ্যোগে মিট দ্য প্রেস অনুষ্ঠানে ইউরোপীয় ইউনিয়নের বিদায়ী রাষ্ট্রদূত স্টিফেন ফ্রোয়েন এ দাবি করেন। তার এ দাবির ব্যাপারে মিশ্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে দেশের বিশিষ্ট নাগরিকরা।

  • জরুরি অবস্থা জারির জন্য বাংলাদেশের রাজনৈতিক দলগুলোকে দায়ী করে ফ্রোয়েন বলেন, আমরা জরুরি অবস্থা সমর্থন করি না। কিছু রাজনৈতিক দলই জরুরি অবস্থা ডেকে এনেছিলো
  • দেশের অভ্যন্তরীন বিষয়ে কূটনীতিকদের কোন ধরনের মতামত দেয়ার অধিকার না থাকলেও বিভিন্ন বিষয়ে তাদের দারস্থ হওয়ার জন্য রাজনৈতিক নেতাদের সমালোচনাও করেন আসাফ-উদ-দ্দৌলা।
  • কূটনীতিকরা যে এর পেছনে দায়ী ছিল তার পক্ষে যথেষ্ট প্রমাণ রয়েছে। প্রমাণ হিসেবে ওয়ান ইলেভেনের আগে ইউএনডিপির তৎকালীন আবাসিক প্রতিনিধির চিঠি জালিয়াতি, টুইসডে গ্রুপের নানামুখী কর্মকাণ্ডসহ কূটনীতিকদের বিভিন্ন বক্তব্য প্রমাণ করে তারা ঐ পরিস্থিতির সাথে জড়িত ছিল।

বিস্তারিত →