সূত্র: দেশব্যাপী বিভিন্ন বেসরকারি সংস্থা বা এনজিও এর তৎপরতায় উদ্বিগ্ন সরকার। বিশেষ করে পার্বত্য অঞ্চলে বিদেশি দূতাবাসের কর্মকর্তাদের তৎপরতা ও সরকারকে আগে থেকে না জানিয়ে পার্বত্য অঞ্চলের জন্য বিশেষ অনুদান দেওয়া এবং গার্মেন্টস শিল্পে অসন্তোষ সৃষ্টিতে ইন্ধন দেওয়ার তথ্য সরকারকে ভাবিয়ে তুলেছে। এদিকে সরকারের অসন্তোষের মধ্যেই গত সপ্তাহে পার্বত্য অঞ্চলে বিশেষ তহবিল জোগান দিয়েছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন। আর ‘আদিবাসী’ ইস্যুতে সরকারের অবস্থানের বিপরীতে বিদেশি দূতাবাস ও দাতা সংস্থার ভূমিকায় নড়েচড়ে বসেছে সরকার। এ জন্য দেশের সব জেলা প্রসাশক ও পুলিশ সুপারকে এনজিওদের কর্মতৎপরতা নজরদারির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
সচিবালয় সূত্র জানায়, পার্বত্যাঞ্চলে পশ্চিমা কূটনৈতিকদের ঘনঘন আনাগোনা, ‘আদিবাসী’ দাবির পক্ষে ব্যাপক প্রচারণা ও ধর্মান্তরিত লোকের সংখ্যা বাড়ার পরিপ্রেক্ষিতে বিশেষ গোয়েন্দা সংস্থা এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়সহ স্বরাষ্ট্র, পররাষ্ট্র, আইন ও ধর্ম মন্ত্রণালয়ে তাদের উদ্বেগ জানায়। গোয়েন্দা সংস্থার দাবি, পার্বত্য অঞ্চলে এখন মুসলিম, হিন্দু, বৌদ্ধ ও অন্যান্য ধর্মের সম্মিলিত সংখ্যার চেয়ে খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বীর সংখ্যা বেশি।
প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টা ড. গওহর রিজভী বাংলাদেশ প্রতিদিনকে এ সম্পর্কে বলেছেন, বেশ কিছু আন্তর্জাতিক সংস্থা পার্বত্য চট্টগ্রাম সমস্যাকে জটিল করে তুলছে। বিস্তারিত →




