Category: প্রবন্ধ

এ কেমন মিডিয়া? শওকত মাহমুদ

সুত্র: রোববার রাতে দুই টক শো। ‘একাত্তর’ ও ‘ইন্ডিপেনডেন্ট’ টিভিতে। স্টুডিওতে ঢুকেই দেখি সঞ্চালকদের হাত ভরে আছে ‘আমার দেশ’-এর গত কয়েকদিনের শিরোনামের ফটোকপি। যেসবে শাহবাগ আন্দোলন এবং এর অন্যতম উদ্যোক্তা রাজীবের ইসলামবিদ্বেষী লেখাগুলোর সমালোচনামূলক প্রতিবেদন রয়েছে।

শওকত মাহমুদ

শওকত মাহমুদ

 জামায়াত হরতাল না ডাকলেও জামায়াত-শিবিরের তাণ্ডব বলে প্রচার করা হচ্ছে, হরতাল হলেও তারা নিজ দায়িত্বে বলছে জনগণ হরতাল প্রত্যাখ্যান করেছে। এক শ্রেণীর মিডিয়ার এমন হিংসাত্মক ও মিথ্যাশ্রয়ী অবস্থান বাংলাদেশের মানুষ কখনও দেখেনি।

সঞ্চালকদের প্রশ্নে এবং প্রকাশিত মতামতে মনে হলো, ধর্ম ও দেশ বাঁচানোর অগ্রগণ্য কলম-সৈনিক মাহমুদুর রহমানকে গ্রেফতারের পক্ষে মত সৃষ্টির মিথস্ক্রিয়া চলবে। ভাবখানা এই, এখনও কেন ওই মানুষটিকে ধরা হচ্ছে না? আগামী কয়েকদিনের মধ্যে রাষ্ট্রদ্রোহ মামলাসহ নানা ফালতু মামলায় অথবা সন্ত্রাসবিরোধী আইনের দোহাই দিয়ে মাহমুদুর রহমানকে যদি গ্রেফতার করা হয়, তবে তার দায় এই মত কারিগরদের ওপরও বর্তাবে।

ওইসব টক শো’র নিয়ন্ত্রকদের প্রশ্ন শুধু এরকম—কেন মাহমুদুর রহমান শাহবাগের গণজাগরণ মঞ্চকে ফ্যাসিবাদী বললেন? কেন ব্লগার রাজীবের ইসলামবিদ্বেষী লেখাগুলো ছেপে উসকানি (এ শব্দটা হালে পুলিশের দায়ের করা মামলাগুলোর আর্জি থেকে উত্সারিত) দিচ্ছেন? অথচ মাহমুদুর রহমানকে হত্যার হুমকি দেয়া হলো, ‘আমার দেশ’, ‘সংগ্রাম’, ‘নয়া দিগন্ত’, ‘দিনকাল’-এর কপি পৈশাচিক উল্লাসে কেন পোড়ানো হচ্ছে, চট্টগ্রামে এসব মিডিয়া হাউসে কেন আগুন দেয়া হলো, কেন আজ সেখানকার সাংবাদিকরা রাস্তায় বসে সাংবাদিকতা করছে—সে সম্পর্কে কোনো আলোচনা নেই। বিস্তারিত →

কেন অজু ছাড়া জানাজা?:বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী বীর উত্তম

সুত্র: চিরদিন কারও সমান নাহি যায়। ঊনসত্তুরে এমনই উত্তাল জাগরণ সৃষ্টি হয়েছিল পূর্ব পাকিস্তানে। সে ছাত্র গণজাগরণে নেতৃত্ব ছিল, কর্তৃত্ব ছিল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের। তখন অগণতান্ত্রিক পাকিস্তান ছিল। কিন্তু তবু কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ে নির্বাচিত ছাত্র সংসদ ছিল। সারা দেশের ছাত্র-যুবকের নেতৃত্ব করত সেসব ছাত্র সংসদ। ’৬৯-এ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলার আলীগড় জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়, ময়মনসিংহের আনন্দ মোহন কলেজ, মানিকগঞ্জের দেবেন্দ্র কলেজ, নারায়ণগঞ্জের তোলারাম কলেজ, বাংলার দ্বিতীয় আলীগড় সাদত্ মহাবিদ্যালয়ে—এদের নেতৃত্ব ছিল, কর্তৃত্ব ছিল। একঝাঁক তরুণ তখন আলোর দিশারি হয়ে দেশকে পথ দেখিয়েছে।

বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী বীর উত্তম

বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী বীর উত্তম

যুবকের মধ্যে সিরাজুল আলম খান, শেখ ফজলুল হক মণি, আ. রাজ্জাক, কে.এম. ওবায়দুর রহমান, আবদুর রউব, খালেদ মহম্মদ আলী, ফেরদৌস কোরাইশী, মোজাহেরুল হক বাকী, তোফায়েল আহমেদ, আ.স.ম আবদুর রব, আ. কুদ্দুস মাখন, নুরে আলম সিদ্দিকী, লতিফ সিদ্দিকী, শাহজাহান সিরাজ, আল মোজাহিদী—কাকে রেখে কার কথা বলব? লতিফ সিদ্দিকী যখন বক্তৃতা করতেন সেই সভায় হ্যালো হ্যালো করে গর্ববোধ করতেন বর্তমান স্পিকার বা মহামান্য রাষ্ট্রপতি জিল্লুর রহমান। এর পরের স্তর আমাদের কথা বাদই দিলাম। সেই ছাত্র গণজাগরণ বিজয়ের মুখ দেখেছিল। বাংলাদেশ সৃষ্টির সেইসব জীবিত মহানায়করা আজ সবাই অবহেলিত, লাঞ্ছিত, বঞ্চিত। একজনও নেই, যে যথাযথ সম্মান, গুরুত্ব নেতৃত্ব ও কর্তৃত্ব পেয়েছেন বা পাচ্ছেন। ’৪৯-এ যেদিন আওয়ামী লীগ গঠিত হয় সেদিন মজলুম জননেতা মওলানা ভাসানী ও জননেতা শামসুল হক বাদে বাকি সবাই ছিলেন শেরেবাংলা একে ফজলুল হকের তুলনায় নবীন। আওয়ামী মুসলিম লীগ গঠনের দিন বিনা নোটিশে সে সমাবেশে শেরেবাংলা গিয়েছিলেন। তাকে কী যে সমাদর করা হয়েছিল, কী যে গুরুত্ব দেয়া হয়েছিল—তা কল্পনার সীমারও বাইরে। বিস্তারিত →

প্রধানমন্ত্রী পদের সাংবিধানিক একনায়কত্ব নাকি ডিফেক্টো একনায়কত্ব?

ইত্তেফাক: কাজী মোহাম্মদ মাহবুবুর রহমান
একবার কনজারভেটিভ পার্টি নির্বাচনে প্রচারণা চালায় যে, লেবার পার্টি যদি কমন্সসভায় দুই-তৃতীয়াংশ আসন পায় তাহলে ব্রিটেনে নির্বাচনীয় একনায়কত্ব প্রতিষ্ঠিত হবে। সংসদীয় ব্যবস্থায় নির্বাচনীয় একনায়কত্ব প্রতিষ্ঠিত হওয়ার সম্ভাবনা থাকে এবং সে সম্ভাবনা সংসদীয় গণতন্ত্রের পীঠস্থান ব্রিটেনেও তৈরি হয়েছিল।
রিচার্ড হেইলসাম সর্বপ্রথম ১৯৭৬ সালে নির্বাচনীয় একনায়কত্ব শব্দটি ব্যবহার করেন। তিনি তার এক বিখ্যাত বক্তৃতায় বলেছিলেন, ‘আমরা একটি নির্বাচনী একনায়কত্বের অধীনে বাস করছি’। হেইলসাম বলেছিলেন, আইন বিভাগ যে চূড়ান্ত ক্ষমতার অধিকারী হয়েছে তা অসহনীয়। বাংলাদেশে ২০০১ ও ২০০৮ সালের নির্বাচনে যথাক্রমে বিএনপি ও আওয়ামী লীগ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা লাভ করায় নির্বাচনীয় একনায়কত্ব প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। অনেকে এটাকে প্রধানমন্ত্রীর সাংবিধানিক একনায়কত্বও বলতে চান। বিস্তারিত →

বাকস্বাধীনতা ও মানব মর্যাদা

মানবজাতি মহান আল্লাহর সৃষ্টি। সকলেই আমরা মানব। তবে প্রত্যেক জাতিগতভাবে ভিন্নতায় রূপনিয়েছে ধর্মের ভিন্নতার কারনে। কিন’ কেউ জাতিগতভাবে ভিন্ন মানুষ হলেও কারও জন্যই বৈধ নয় একজন মানুষের ব্যক্তিত্ব সম্মান ও মর্যাদায় অন্যায়ভাবে আঘাত হানা।

এটি বৈধ নয়  আন্তর্জাতিক আইনে, বৈধ নয় কারও ব্যক্তিগত আদালতেও। মানবজাতির জন্য সৃষ্টি হয়েছে সকল প্রাণী। পৃথিবীর প্রত্যেকটি প্রাণীই মানুষের কল্যাণের জন্য আল্লাহ্‌ তায়ালা সৃষ্টি করেছেন। তাই আমরা দৃঢ়ভাবে বলতে পারি, মানবজাতি হচ্ছে সর্বশ্রেষ্ঠ এক জীব।

 

বিস্তারিত →

নারী মুক্তির একটি ঠিকানা

সমপ্রতি ব্যপকভাবে আলোকিত হয়েছে নারী ধর্ষনের শাস্তি নিয়ে। টাঙ্গাইল ও ভারতে দিল্লী রাজ্যের সমপ্রতিক নারী ধর্ষনের ঘটনা দুটি বিশ্ববাসীকে মর্মাহত করেছে চরমভাবে।

প্রখ্যাত দার্শনিক জর্জ বার্ণাড শ যথাযথই বলেছেন “ মুহাম্মদ রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কোন ব্যক্তি যদি আধুনিক জগতের এক নায়কতত্ব গ্রহণ করতেন, তাহলে এমন এক উপায়ে তিনি এর সমস্যা সমাধানে সফল কাম হতেন, যা পৃথিবীতে নিয়ে আসত বহু বঞ্চিত শান্তি ও সুখ। তার জীবন চরিত্রের গভীর দর্শন সত্যিকার শান্তির পথের দিশা দেয়।”

সকলেই চিন্তা করছে বিষয়টির কিভাবে সমাধান করা যায়। কেউ কেউ বলছেন ধর্ষকের মৃত্যুদন্ডের আইন করা হউক, আবার কেউ বলছেন ধর্ষকের জন্য দৃষ্টান-মূলক শাস্তির ব্যবস্থা

বিস্তারিত →

যে কথায় সমাধান নেই, আসলে কি আমরা সমাধান চাই?

সাম্প্রতিক কালে ঘটে যাওয়া ভয়াবহ দুটি ঘটনার প্রতি সকলের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।

১ঃ তাজরীন ফ্যাশনসের ভয়াবহ অগ্নিকান্ড যা কেড়ে নিয়েছে তরতাজা শতাধিক প্রাণ।

২ঃ চট্টগ্রামে ঊড়াল সেতুর অংশ বিশেষ ধ্বসে অপ্রত্যাশিত মৃতু্য।

১ নম্বর সমস্যা ও ২ নম্বর সমস্যার কারণ ও সমাধান একই, এই জন্য হাজার পাতার তদন্ত রিপোর্ট ও ঘন্টার পর ঘন্টা টক শো র প্রয়োজন  নেই।আর সেটা হছে দুর্নীতি।

যে কথায় সমাধান নেই, আসলে কি আমরা সমাধান চাই?

যে কথায় সমাধান নেই, আসলে কি আমরা সমাধান চাই?

আজকে যে কারনে(ষড়যন্ত্র বা দূর্ঘটনা) আগুন লাগুক, সবচে বড় কথা হল এই আগুন লাগলে  বাচার রাস্তা কি?

তার জন্য ভবন নির্মাণ, ফ্যাক্টরী নির্মাণের নীতিমালা আছে, পরিবেশ ছাড়পত্রের ব্যাপার আছে।

ইতিমধ্যে জানা গেছে এই সব নীতিমালা যথাযথভাবে অনুসরণ করা হয় নাই, এই জন্য এই ভবন মালিক, ফ্যাক্টরীর মালিক দুর্নীতির আশ্রয় নিয়েছিল তা হলে তিনি এর দায় এড়াতে পারেন না। কিন্তু কথা হল এই দূর্নীতি সে কি সরকারি সেই সমস্ত অফিসারদের সহযোগিতা ছাড়া করেছে যারা এই কারখানা গুলোর অনুমোদন দেয়? সহজ উত্তর হল না।

এখন প্রশ্ন হল, যে সকল অফিসার সামান্য কিছু টাকার বিনিময়ে এই সব অবৈধ জিনিস বৈধ করে দিচ্ছে তাদের কি কোন দায় নাই ? আজকে তারা যদি এই জায়গায় তাদের দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করত তাহলে কি এই ঘটনা ঘটত? উত্তর না?

এর পর কথা হল ঘটনা ঘটে যাওয়ার পর জরিমানা, মৃতু্য র বিষয়ে কি  হওয়া উচিত তা কি  আইনে স্পষ্ট আছে ? যদি থাকে তাহলে একজন শ্রমিকের মৃতুয় এর কারণে কি পরিমাণ জরিমানা কে কাকে  দিতে হবে তা নিয়ে এক এক জন এক এক কথা বলছে কেন? কেন রাষ্ট্র এটা পরিষ্কার করে বলছে না? কেন মালিককে আইন এর আশ্রয়ে নিয়ে জিজ্ঞসাবাদ করছে না?

একই ভাবে ২ নম্বর সমস্যার ও সমাধান একই জায়গায়। কারা দুর্নীতির মাধ্যমে একটি প্রতিষ্ঠান কে কাজ পাইয়ে আজ জনগণের জান নিয়ে ছিনিমিনি খেলছে?

আবেগ দিয়ে বক্তৃতা দেওয়া যায়, দায়িত্বহীন দাবী তোলা যায়, কিন্তু সব কিছু চলা উচিত সুনির্দিষ্ট আইনে, তাহলে দূর্ঘটনা ঘটে যাওয়ার পর শ্রমিক রা আন্দোলন করতে হতনা, দাবী আদায়ের জন্য জ্বালা পোড়াও কর্মসূচী দিতে হতনা, হীন্মন্য কিছু রাজনীতিবিদ  নিজের শক্তি হিসেবে তাদের ব্যবহার করতে পারতনা।

আমি জানি আইন ও আইনের শাসন না থাকলে হাজার টক শো তেতো হয়ে যাবে,এন জি ও রা এই দেশ থেকে সুবিধা নেওয়ার জন্য মানবতার মুখোশ পড়ে এই দেশের ক্ষতি করে যাবে, সুবিধা বাদী সরকার গুলো তাদের অবৈধ স্বার্থ উদ্ধার এ ব্যস্ত থাকবে, আর অধিকার সম্পর্কে অসচেতন জনতা নির্যাতিত ই থেকে যাবে।।

মৌলবাদ: যে কথা বলা হয় না

সুত্র:  (কেন এই লেখা? বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াই। সে সুবাদে অনেকের অনেক প্রশ্নের জবাব দিতে হয়। জীবনে বহুবার ‘মৌলবাদ’ নিয়ে নানা প্রশ্নের সম্মুখীন হয়েছি। ঐ সকল প্রশ্নের জবাব খুঁজতে গিয়ে যা পেলাম, তা নিয়েই আজকের এ লেখা। মৌলবাদের মূল-সন্ধানী এ লেখার মুখবন্ধে এটা বলতে পারি— এ যেন কেঁচো খুড়তে গিয়ে সাপের সন্ধান পাওয়া׀)

মৌলবাদ কোনো উর্দু, আরবি বা ফার্সি শব্দের বাংলা অনুবাদ নয় ׀ Fundamentalism একটি ইংরেজি শব্দ, যার বাংলা করা হয়েছে ‘মৌলবাদ’ শব্দটি দ্বারা ׀

মৌলবাদের জন্ম

ইতিহাস ঘেঁটে দেখা যায় যে, শব্দটি প্রথম ব্যবহার করা হয় আমেরিকায় এবং ১৯২২ সালে׀ ১৮০০ সালের পর থেকে শুরু হয় বিজ্ঞানের নতুন নতুন আবিষ্কারের স্রোত ׀ সেই স্রোতধারায় ভেসে যাবার উপক্রম হয় খ্রিস্টধর্মের অনেক বিশ্বাস ও প্রচলিত ধারণা׀ নাস্তিক্যবাদের (aethism) প্রসার ব্যাপকতা লাভ করে ׀ তখন আমেরিকান খ্রিস্টানদের Protestant সমাজের একটি অংশ খ্রিস্টধর্মের হেফাজতের জন্য একটি আন্দোলন শুরু করে׀ এই আন্দোলনের পুরোধা ছিলেন Milton এবং Lyman Stewart নামের দুই ভাই। তারা ছিলেন তেল ব্যাবসায়ী׀ তাদের পৃষ্ঠপোষকতা ও তত্ত্বাবধানে ৬৪ জন লেখক (যাদের মধ্যে ছিলেন পণ্ডিত, পাদ্রী এমন কি মন্ত্রীও; কিন্তু কোনো মুসলমান— অবশ্যই নয়) ধারাবাহিকভাবে ১২টি ভলিউমে খ্রিস্টধর্মের মূল বিষয়াদি বর্ণনা করেন। এই  ভলিউমগুলোর নাম দেয়া হলো The Fundamentals. ধীরে ধীরে ধর্ম-কর্ম ছেড়ে দেয়া অনেক খ্রিস্টান এগুলোর প্রতি আকৃষ্ট হয় ׀ এই মতবাদের নাম দেয়া হল Fundamentalism (মৌলবাদ) এবং এই মতবাদে যারা বিশ্বাস স্থাপন করতে লাগল তাদেরকে বলা হল Fundamentalist বাংলায় যার সরাসরি অর্থ হয় ‘মৌলবাদী’।

নিরপেক্ষ পাঠক মাত্রই অকুণ্ঠ চিত্তে স্বীকার করবেন যে, এই Fundamentalism বা মৌলবাদের উত্পত্তির সঙ্গে কোরান-হাদিস-ইসলাম-মুসলমান এবং কোনো মুসলিম দেশের দূরতম সম্পর্কও নেই׀কিন্তু এটা বড়ই দুঃখজনক এবং আফসোসের  বিষয় যে, মৌলবাদের জন্মস্হান এবং সংরক্ষণাগার আমেরিকা আজ মুসলমানদেরকে মৌলবাদী বলছে এবং মুসলিম দেশসমূহে মৌলবাদ খুঁজে বেড়াচ্ছে ׀অথচ কোথাও কেউ প্রতিবাদ করারও নেই। এর প্রধান কারণ ভীরুতা এবং অজ্ঞতা ׀ এই দুটো জগদ্দল পাথরের মত  দুনিয়ার সকল  মুসলমান এবং মুসলিম দেশসমূহের ওপর চেপে বসেছে׀ বিস্তারিত →

থানায় মামলা নিতে না চাইলে যা করবেন

সুত্র:

আমলযোগ্য অপরাধ সংঘটনের পর কেউ থানায় মামলা করতে চাইলে পুলিশ বিনামূল্যে সে মামলা নিতে বাধ্য। কিন্তু বাস্তবে প্রায়ই এমন অভিযোগ শোনা যায় যে, পুলিশ থানায় মামলা নিতে চায় না। কোন কারণে পুলিশ যদি কখনো থানায় মামলা নিতে না চায়, তাহলে সরাসরি সংশ্লিষ্ট বিচারিক হাকিমের আদালতে নালিশি অভিযোগ দায়েরের মাধ্যমে সংঘটিত অপরাধের বিচার চেয়ে মামলা দায়ের করা যায়।

তবে সংঘটিত অপরাধ আমল অযোগ্য হলে সবসময়ই সংশ্লিষ্ট ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট নালিশি মামলা দায়ের করতে হয়। আমল অযোগ্য অপরাধ হলো সেই সমস্ত অপরাধ যে সকল অপরাধ সংঘটনের দরুণ পুলিশ বিনা পরোয়ানায় কাউকে গ্রেফতার করতে পারে না এবং এ সকল অপরাধ বিষয়ে তদন্ত করতেও সংশ্লিষ্ট বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেটের পূর্বানুমতির প্রয়োজন হয়। কোনটি আমলযোগ্য এবং কোনটি আমলঅযোগ্য অপরাধ তা ফৌজদারী কার্যবিধির দ্বিতীয় তফশীলের তৃতীয় কলামে বিধৃত করা রয়েছে। বিস্তারিত →

বিপিএল হবেই!

বিসিবির সাইটে এ খবর..!!
বিসিবির সাইটে এ খবর..!! বিস্তারিত →

একমাত্র ইসলামেই রয়েছে নারীদের প্রকৃত সম্মান

সূত্র: মাতৃজাতি সমাজের অর্ধাংশ এবং অর্ধাঙ্গিনী। তাদের প্রতি ঘৃণা, তুচ্ছ-তাচ্ছিল্য ও উপক্ষো এবং অন্যায়-অত্যাচার সমাজকে পুঙ্গ করে রাখবে। অন্ধকার যুগে তো সমাজ নারীদের প্রতি এতই হিংস্র, নির্দয়-নিষ্ঠুর ও নির্মম ছিল যে, মেয়ে সন্তানকে ভালবাসত না কেউই, অনেকে তাকে জীবিত কবর দিয়ে দিত।

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি অসাল্লাম বলেছেন, যার কাছে কোনো মেয়ে থাকে এবং সে মেয়েকে তুচ্ছ না করে, ছেলেকে অগ্রগণ্য না করে আল্লাহ তাকে বেহেশত দান করবেন। আবু দাউদ
রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি অসাল্লাম বলেছেন, পরিপূর্ণ ঈমানদার ঐ ব্যক্তি যে তার সহধর্মিণীর সাথে সদ্ব্যবহার করে এবং তার প্রতি সহানুভূতিশীল হয়। তিরমিজী শরীফ

‘নারীদের ওপর স্বামীদের যেরূপ হক্ব ও দাবি আছে তদ্রুপ স্বামীদের ওপর স্ত্রীদেরও হক্ব এবং দাবি আছে।’ তিনি আরও বলেছেন-নারীদের সম্পর্ক আমার বিশেষ নির্দেশ যে, তাদের প্রতি সদ্ব্যবহার ও সর্বপ্রকার কল্যাণকর ব্যবস্থা সর্বদা বজায় রাখা। তাদেরকে তোমরা লাভ করেছ আল্লাহর আমানতরূপে, তাদের সতীত্বকে ভোগ করছ আল্লাহর বিধানের অধীনে। সেই আল্লাহর রাসূল আমি, অতএব তাদের সম্পর্কে আমার নির্দেশ পালনে তোমরা বাধ্য।

বর্তমান যুগ যাকে নারীদের রাজত্বের যুগ বলা যেতে পারে, এই যুগেও মেয়ে সন্তান জন্মের প্রতি অনেক কম লোকেরই আনন্দ হয়। এ কি নারীদের প্রতি বৈরীভাবের লক্ষণ নয়।

বিস্তারিত →