সুত্র: রোববার রাতে দুই টক শো। ‘একাত্তর’ ও ‘ইন্ডিপেনডেন্ট’ টিভিতে। স্টুডিওতে ঢুকেই দেখি সঞ্চালকদের হাত ভরে আছে ‘আমার দেশ’-এর গত কয়েকদিনের শিরোনামের ফটোকপি। যেসবে শাহবাগ আন্দোলন এবং এর অন্যতম উদ্যোক্তা রাজীবের ইসলামবিদ্বেষী লেখাগুলোর সমালোচনামূলক প্রতিবেদন রয়েছে।
জামায়াত হরতাল না ডাকলেও জামায়াত-শিবিরের তাণ্ডব বলে প্রচার করা হচ্ছে, হরতাল হলেও তারা নিজ দায়িত্বে বলছে জনগণ হরতাল প্রত্যাখ্যান করেছে। এক শ্রেণীর মিডিয়ার এমন হিংসাত্মক ও মিথ্যাশ্রয়ী অবস্থান বাংলাদেশের মানুষ কখনও দেখেনি।
সঞ্চালকদের প্রশ্নে এবং প্রকাশিত মতামতে মনে হলো, ধর্ম ও দেশ বাঁচানোর অগ্রগণ্য কলম-সৈনিক মাহমুদুর রহমানকে গ্রেফতারের পক্ষে মত সৃষ্টির মিথস্ক্রিয়া চলবে। ভাবখানা এই, এখনও কেন ওই মানুষটিকে ধরা হচ্ছে না? আগামী কয়েকদিনের মধ্যে রাষ্ট্রদ্রোহ মামলাসহ নানা ফালতু মামলায় অথবা সন্ত্রাসবিরোধী আইনের দোহাই দিয়ে মাহমুদুর রহমানকে যদি গ্রেফতার করা হয়, তবে তার দায় এই মত কারিগরদের ওপরও বর্তাবে।
ওইসব টক শো’র নিয়ন্ত্রকদের প্রশ্ন শুধু এরকম—কেন মাহমুদুর রহমান শাহবাগের গণজাগরণ মঞ্চকে ফ্যাসিবাদী বললেন? কেন ব্লগার রাজীবের ইসলামবিদ্বেষী লেখাগুলো ছেপে উসকানি (এ শব্দটা হালে পুলিশের দায়ের করা মামলাগুলোর আর্জি থেকে উত্সারিত) দিচ্ছেন? অথচ মাহমুদুর রহমানকে হত্যার হুমকি দেয়া হলো, ‘আমার দেশ’, ‘সংগ্রাম’, ‘নয়া দিগন্ত’, ‘দিনকাল’-এর কপি পৈশাচিক উল্লাসে কেন পোড়ানো হচ্ছে, চট্টগ্রামে এসব মিডিয়া হাউসে কেন আগুন দেয়া হলো, কেন আজ সেখানকার সাংবাদিকরা রাস্তায় বসে সাংবাদিকতা করছে—সে সম্পর্কে কোনো আলোচনা নেই। বিস্তারিত →





