সূত্র: বিভিন্ন সময় ইসরাইলের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে নিহত ফিলিস্তিনি মুজাহিদদের দেহাবশেষ ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করেছে ইসরায়েল। বৃহস্পতিবার এ হস্তান্তর প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয় বলে জানিয়েছে সংবাদমাধ্যম। মোট ৯১টি দেহাবশেষ ফিরিয়ে দেওয়া হয়। এর মধ্যে পশ্চিমতীরের রামাল্লা শহরে ফাতাহ নিয়ন্ত্রিত ফিলিস্থিনি কর্তৃপক্ষের কাছে ৮০ টি দেহাবশেষ এবং হামাস নিয়ন্ত্রিত গাজায় অপর ১১ টি দেহাবশেষ ফিরিয়ে দেওয়া হয়।

ফিলিস্তিনে ইসরায়েলের অবৈধ দখলদারির বিরুদ্ধে প্রতিরোধ সংগ্রামে ১৯৬৭ সালের পর বিভিন্ন সময় তাদের মৃত্যু হয় বলে জানিয়েছে ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষ। তবে অধিকাংশ ক্ষেত্রেই তাদের মৃত্যু ইসরায়েলি ভূখণ্ডে সংঘটিত হওয়ায় সেখানেই সমাহিত করা হয় তাদের। আত্মঘাতী বোমা হামলাকারীসহ এই নিহত মুজাহিদদেরা এতদিন পশ্চিমতীরের ইসরায়েলি এলাকায় অবস্থিত শত্রুযোদ্ধাদের জন্য নির্ধারিত কবরস্তানে সমাহিত ছিলো।
তবে এই ৯১ জন ইসরায়েলের কবরস্তানে সমাহিত ফিলিস্থিনিদের মধ্যে মাত্র এক তৃতীয়াংশ বলে জানা গেছে।
এদিকে দেহাবশেষগুলো বুঝে নেওয়ার পর পশ্চিম তীরের নিয়ন্ত্রক ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে তারা এই যোদ্ধাদের স্মরনে পশ্চিম তীরের রামাল্লায় শোক অনুষ্ঠান আয়োজন করবে। অপরদিকে হামাসও তাদের স্মরণে গাজায় একটি অনুষ্ঠান পৃথকভাবে আয়োজন করবে বলে জানা গেছে।
এই দেহাবশেষের মধ্যে আছে ফিলিস্তিনি প্রতিরোধ যোদ্ধাদের নিয়ে গঠিত সিবর্ন স্কোয়াডের আট সদস্যের দেহাবশেষ। এই আট জন ১৯৭৫ সালে ইসরায়েলের রাজধানী তেল আবিবের একটি হোটেল দখল করে নিয়েছিলো। পরবর্তীতে ইসরায়েলি কমান্ডোদের আক্রমণে নিহত হন তারা। তবে এ সময় তাদের হাতে থাকা সাত জিম্মিও নিহত হয়েছিলো।
গত ১৪ মে এই দেহাবশেষ ফেরত দেওয়ার কথা ঘোষণা করে ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনজামিন নেতানেয়াহুর অফিস। ফিলিস্থিনী কর্তৃপক্ষ নিয়ন্ত্রিত সংবাদসংস্থা ওয়াফা জানিয়েছে ,দেহাবশেষগুলোর মধ্যে ১৭ টির পরিবারকে সনাক্ত করা সম্ভব না হওয়ায় তাদেরকে রামাল্লায় একটি গণকবরে সমাহিত করা হবে।








